নোয়াখালীর হাতিয়ার হরনী চানন্দী ইউনিয়নের বয়ার চর এলাকার মোল্লা গ্রামে অন্যর জমি জবর দখল করে অবৈধভাবে পরিবেশ দূষণ করে ইটভাটা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে পাটোয়ারী ম্যানুঃ ব্রিকস ফিল্ডের মালিক অভিযুক্ত আলী আকবর রক্সি (৫৫) বিরুদ্ধে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ১নং আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন যার সিআর নং- ১৫৭/২০২৬।
এদিকে আদালতে মামলা করায় ভূক্তভোগী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ভূক্তভোগী জমির মালিক সিএনজি চালক মোঃ ইসমাইল জানান, আমি ও আমার স্ত্রী বন্দোবস্ত সূত্রে উক্ত মৌজায় এক একর সম্পত্তির মালিক ও দখলদার হই। উক্ত ভূমির প্রতি লোলুপ দৃষ্টি পড়ে পাটোয়ারী ব্রিকস এর মালিক আলী আকবর রক্সির।
এক পর্যায়ে বাদী জমি বিক্রি না করায় তারা তাকে নানান হুমকি ও বিভিন্ন রকম চাপ সৃষ্টি করে এবং জায়গা দখল ও গাছ গাছড়া কেটে ফেলে। পরবর্তীতে ভূক্তভোগী ইসমাইলকে জোর পূর্বক ভয় দেখিয়ে বাধ্য করে জমি কিনে নেওয়া শর্তে সামান্য কিছু টাকা দিয়ে কয়েকটি খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়।
পরবর্তীতে মূল টাকা গুলো না দিয়ে ব্রিকস ফিল্ডের ইট দিয়ে টাকা পরিশোধের নামে তাল বাহানা করে এবং চুক্তি ভঙ্গ করে ভূক্তভোগীকে হুমকি ধমকি দিয়ে তার জমি ও পাওনা টাকা আত্মসাতের মাধ্যমে প্রতারণা করে। বর্তমানে বাদী ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি জেলা প্রশাসক ও হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
স্থানীয়সূত্রে আরো জানা যায়, এই ইটভাটা মালিক তিনি নিজেকে সেনা সদস্য দাবী করে স্থানীয় নিরীহ মানুষের কৃষি জমির মাটি ও গাছপালা কেটে পেলে এমনকি সরকারি রাস্তা দিয়ে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শতশত ছাত্র-ছাত্রীদের একমাত্র চলাচলের রাস্তাটিও কেটে পেলে| সে সাবেক সেনা সদস্য হওয়ায় স্থানীয় লোকজন ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।
এই অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে স্থানীয় জনৈক আবুল কাশেম নামে এক ব্যক্তি জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিলেও এখন পর্যন্ত ইহার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য উক্ত পাটোয়ারী ব্রিকস ফিল্ডের মালিক আলী আকবর রক্সির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায় নি, এজন্য তার বক্তব্য দেওয়া সম্ভব হয়নি।
এই বিষয় জানতে চাইলে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল জানান, পরিবেশ দূষণ করে অবৈধভাবে নির্মাণ করা ব্রিকস ফিল্ডের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিবেশ দূষণকারীদের কোন ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

রোববার, ২৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ জুন ২০২৬
নোয়াখালীর হাতিয়ার হরনী চানন্দী ইউনিয়নের বয়ার চর এলাকার মোল্লা গ্রামে অন্যর জমি জবর দখল করে অবৈধভাবে পরিবেশ দূষণ করে ইটভাটা নির্মাণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মোঃ ইসমাইল হোসেন বাদী হয়ে পাটোয়ারী ম্যানুঃ ব্রিকস ফিল্ডের মালিক অভিযুক্ত আলী আকবর রক্সি (৫৫) বিরুদ্ধে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ১নং আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন বিজ্ঞ আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন যার সিআর নং- ১৫৭/২০২৬।
এদিকে আদালতে মামলা করায় ভূক্তভোগী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ভূক্তভোগী জমির মালিক সিএনজি চালক মোঃ ইসমাইল জানান, আমি ও আমার স্ত্রী বন্দোবস্ত সূত্রে উক্ত মৌজায় এক একর সম্পত্তির মালিক ও দখলদার হই। উক্ত ভূমির প্রতি লোলুপ দৃষ্টি পড়ে পাটোয়ারী ব্রিকস এর মালিক আলী আকবর রক্সির।
এক পর্যায়ে বাদী জমি বিক্রি না করায় তারা তাকে নানান হুমকি ও বিভিন্ন রকম চাপ সৃষ্টি করে এবং জায়গা দখল ও গাছ গাছড়া কেটে ফেলে। পরবর্তীতে ভূক্তভোগী ইসমাইলকে জোর পূর্বক ভয় দেখিয়ে বাধ্য করে জমি কিনে নেওয়া শর্তে সামান্য কিছু টাকা দিয়ে কয়েকটি খালি স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়।
পরবর্তীতে মূল টাকা গুলো না দিয়ে ব্রিকস ফিল্ডের ইট দিয়ে টাকা পরিশোধের নামে তাল বাহানা করে এবং চুক্তি ভঙ্গ করে ভূক্তভোগীকে হুমকি ধমকি দিয়ে তার জমি ও পাওনা টাকা আত্মসাতের মাধ্যমে প্রতারণা করে। বর্তমানে বাদী ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তিনি জেলা প্রশাসক ও হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
স্থানীয়সূত্রে আরো জানা যায়, এই ইটভাটা মালিক তিনি নিজেকে সেনা সদস্য দাবী করে স্থানীয় নিরীহ মানুষের কৃষি জমির মাটি ও গাছপালা কেটে পেলে এমনকি সরকারি রাস্তা দিয়ে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার শতশত ছাত্র-ছাত্রীদের একমাত্র চলাচলের রাস্তাটিও কেটে পেলে| সে সাবেক সেনা সদস্য হওয়ায় স্থানীয় লোকজন ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না।
এই অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে স্থানীয় জনৈক আবুল কাশেম নামে এক ব্যক্তি জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিলেও এখন পর্যন্ত ইহার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য উক্ত পাটোয়ারী ব্রিকস ফিল্ডের মালিক আলী আকবর রক্সির সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায় নি, এজন্য তার বক্তব্য দেওয়া সম্ভব হয়নি।
এই বিষয় জানতে চাইলে হাতিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল ইকবাল জানান, পরিবেশ দূষণ করে অবৈধভাবে নির্মাণ করা ব্রিকস ফিল্ডের বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিবেশ দূষণকারীদের কোন ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।

আপনার মতামত লিখুন