জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নওয়াব ফয়জুন্নেসা ছাত্রী হলের একটি কক্ষ থেকে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে হল প্রশাসন। শনিবার হলের ওই কক্ষে অভিযান চালিয়ে নেশাজাতীয় দ্রব্য ও ঘুমের ট্যাবলেট সেবনরত অবস্থায় অন্য হলের এক ছাত্রীকে আটক করা হয়। আটককৃত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮তম আবর্তনের এবং বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক ছাত্রী বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল সূত্রে জানা যায়, ওই কক্ষে বহিরাগত ছাত্রীর অবস্থানের খবর পেয়ে হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানম প্রশাসনকে অবহিত করেন। পরে হলের ওয়ার্ডেন অধ্যাপক সুলতানা আক্তারের নেতৃত্বে তল্লাশি চালিয়ে মাদকদ্রব্যসহ ওই ছাত্রীকে আটক করা হয়। তবে বেগম খালেদা জিয়া হলের সাধারণ সম্পাদক ফাতিমা তুজ জহুরা দাবি করেছেন, ওই শিক্ষার্থী পারিবারিক সমস্যার কারণে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে সেখানে কান্নাকাটি করছিলেন এবং তাকে আত্মহত্যার আশঙ্কায় দ্রুত পরিবারের কাছে পাঠানো হয়েছে।
হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানম অভিযোগ করেছেন যে, সংশ্লিষ্ট কক্ষের ছাত্রী আগেও বহিরাগতদের নিয়ে হলে আসতেন এবং তিনি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। এবার তাকে হাতেনাতে ধরার পর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে হল সংসদ। বর্তমানে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ও কক্ষের বরাদ্দপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
ঘটনার প্রেক্ষিতে নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা জানান, মাদক উদ্ধারের ঘটনায় ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওয়ার্ডেন অধ্যাপক সুলতানা আক্তারকে আহ্বায়ক করে গঠিত এই কমিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম জানিয়েছেন, হল প্রশাসনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বেগম খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্টও জানিয়েছেন যে, ফয়জুন্নেসা হলের তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই তারা পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) নওয়াব ফয়জুন্নেসা ছাত্রী হলের একটি কক্ষ থেকে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে হল প্রশাসন। শনিবার হলের ওই কক্ষে অভিযান চালিয়ে নেশাজাতীয় দ্রব্য ও ঘুমের ট্যাবলেট সেবনরত অবস্থায় অন্য হলের এক ছাত্রীকে আটক করা হয়। আটককৃত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮তম আবর্তনের এবং বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক ছাত্রী বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল সূত্রে জানা যায়, ওই কক্ষে বহিরাগত ছাত্রীর অবস্থানের খবর পেয়ে হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানম প্রশাসনকে অবহিত করেন। পরে হলের ওয়ার্ডেন অধ্যাপক সুলতানা আক্তারের নেতৃত্বে তল্লাশি চালিয়ে মাদকদ্রব্যসহ ওই ছাত্রীকে আটক করা হয়। তবে বেগম খালেদা জিয়া হলের সাধারণ সম্পাদক ফাতিমা তুজ জহুরা দাবি করেছেন, ওই শিক্ষার্থী পারিবারিক সমস্যার কারণে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে সেখানে কান্নাকাটি করছিলেন এবং তাকে আত্মহত্যার আশঙ্কায় দ্রুত পরিবারের কাছে পাঠানো হয়েছে।
হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানম অভিযোগ করেছেন যে, সংশ্লিষ্ট কক্ষের ছাত্রী আগেও বহিরাগতদের নিয়ে হলে আসতেন এবং তিনি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। এবার তাকে হাতেনাতে ধরার পর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে হল সংসদ। বর্তমানে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ও কক্ষের বরাদ্দপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
ঘটনার প্রেক্ষিতে নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা জানান, মাদক উদ্ধারের ঘটনায় ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওয়ার্ডেন অধ্যাপক সুলতানা আক্তারকে আহ্বায়ক করে গঠিত এই কমিটি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করবে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম জানিয়েছেন, হল প্রশাসনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। বেগম খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্টও জানিয়েছেন যে, ফয়জুন্নেসা হলের তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করেই তারা পরবর্তী পদক্ষেপ নেবেন।

আপনার মতামত লিখুন