ফরিদপুর জেলায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৫ জন শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা প্রদানের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। শনিবার সকালে ফরিদপুর সদর হাসপাতাল মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান জানান, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত দেশব্যাপী এই জাতীয় টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে দেশে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের সুরক্ষায় সরকার এই অতিরিক্ত ডোজ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জেলার ৯টি উপজেলা ও ফরিদপুর পৌরসভার ২৭টি ওয়ার্ডসহ সর্বমোট ২ হাজার ৬৯৩টি কেন্দ্রে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিনামূল্যে এই টিকা প্রদান করা হবে। নিয়মিত ইপিআই সূচি অনুযায়ী টিকা দেওয়া থাকলেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এই বিশেষ ক্যাম্পেইনে প্রতিটি শিশুকে পুনরায় এক ডোজ টিকা নিতে হবে।
এই টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে জেলায় ১ হাজার ৯৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ৭ শতাধিক স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রচারণা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মসজিদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। সিভিল সার্জন গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করেন যে, নিয়মিত টিকার পাশাপাশি এই অতিরিক্ত ডোজের ক্ষেত্রে অবশ্যই দুটি ডোজের মধ্যে কমপক্ষে ২৮ দিনের ব্যবধান থাকতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান হাম-রুবেলা মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে অপপ্রচার রোধ এবং সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। একটি সুস্থ ও সবল জাতি গঠনের লক্ষ্যে এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে স্বাস্থ্য বিভাগ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলেও তিনি সংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুর জেলায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী ২ লাখ ৩৯ হাজার ৭৫৫ জন শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা প্রদানের লক্ষ্যে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। শনিবার সকালে ফরিদপুর সদর হাসপাতাল মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান জানান, আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত দেশব্যাপী এই জাতীয় টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বর্তমানে দেশে হামের প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের সুরক্ষায় সরকার এই অতিরিক্ত ডোজ প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। জেলার ৯টি উপজেলা ও ফরিদপুর পৌরসভার ২৭টি ওয়ার্ডসহ সর্বমোট ২ হাজার ৬৯৩টি কেন্দ্রে প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিনামূল্যে এই টিকা প্রদান করা হবে। নিয়মিত ইপিআই সূচি অনুযায়ী টিকা দেওয়া থাকলেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এই বিশেষ ক্যাম্পেইনে প্রতিটি শিশুকে পুনরায় এক ডোজ টিকা নিতে হবে।
এই টিকাদান কর্মসূচি সফল করতে জেলায় ১ হাজার ৯৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ৭ শতাধিক স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রচারণা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে মসজিদসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। সিভিল সার্জন গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করেন যে, নিয়মিত টিকার পাশাপাশি এই অতিরিক্ত ডোজের ক্ষেত্রে অবশ্যই দুটি ডোজের মধ্যে কমপক্ষে ২৮ দিনের ব্যবধান থাকতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সিভিল সার্জন ডা. মাহমুদুল হাসান হাম-রুবেলা মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে অপপ্রচার রোধ এবং সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। একটি সুস্থ ও সবল জাতি গঠনের লক্ষ্যে এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে স্বাস্থ্য বিভাগ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলেও তিনি সংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।

আপনার মতামত লিখুন