বিশ্ববাজারের অস্থিরতা ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণ দেখিয়ে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে অনেকটা বাড়িয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ রবিবার থেকে এই নতুন মূল্যতালিকা কার্যকর হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপকে ‘জ্বালানি সিন্ডিকেটের কাছে নতি স্বীকার’ হিসেবে অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার অকটেনের দাম ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে ডিজেল ও কেরোসিনের দামও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এখন থেকে প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকায় কিনতে হবে গ্রাহকদের, যা আগে যথাক্রমে ১০০ ও ১১২ টাকা ছিল। অর্থাৎ, জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রাখতেই এই ‘মূল্য সমন্বয়’ করা হয়েছে। তবে সারজিস আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সরকারের এই পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তার মতে, সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপের এই সিদ্ধান্ত মূলত জ্বালানি খাতের প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের স্বার্থ রক্ষারই নামান্তর।
সারজিস আলম তার বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, সরকার পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পরিবর্তে সিন্ডিকেটের দাবির কাছে নতি স্বীকার করেছে। আকস্মিক এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে জনজীবনে এবং পণ্য পরিবহন খাতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের অজুহাত এবং অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ ক্ষোভ—সব মিলিয়ে জ্বালানি তেলের এই নতুন দাম এখন দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
বিশ্ববাজারের অস্থিরতা ও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণ দেখিয়ে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে অনেকটা বাড়িয়েছে সরকার। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আজ রবিবার থেকে এই নতুন মূল্যতালিকা কার্যকর হয়েছে। সরকারের এই পদক্ষেপকে ‘জ্বালানি সিন্ডিকেটের কাছে নতি স্বীকার’ হিসেবে অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।
মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার অকটেনের দাম ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে। একইভাবে ডিজেল ও কেরোসিনের দামও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এখন থেকে প্রতি লিটার ডিজেল ১১৫ টাকা এবং কেরোসিন ১৩০ টাকায় কিনতে হবে গ্রাহকদের, যা আগে যথাক্রমে ১০০ ও ১১২ টাকা ছিল। অর্থাৎ, জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।
মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্য রাখতেই এই ‘মূল্য সমন্বয়’ করা হয়েছে। তবে সারজিস আলম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সরকারের এই পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করেছেন। তার মতে, সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি চাপের এই সিদ্ধান্ত মূলত জ্বালানি খাতের প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের স্বার্থ রক্ষারই নামান্তর।
সারজিস আলম তার বক্তব্যে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, সরকার পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পরিবর্তে সিন্ডিকেটের দাবির কাছে নতি স্বীকার করেছে। আকস্মিক এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে জনজীবনে এবং পণ্য পরিবহন খাতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একদিকে আন্তর্জাতিক বাজারের অজুহাত এবং অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ ক্ষোভ—সব মিলিয়ে জ্বালানি তেলের এই নতুন দাম এখন দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন