ঢাকা নিউজ

কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো বিশাল মৃত তিমি



কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো বিশাল মৃত তিমি
ছবি : সংগৃহীত

পটুয়াখালীর কুয়াকাটাসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে আনুমানিক ৪০ থেকে ৪৫ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি মৃত বেলিন (Baleen) প্রজাতির তিমি ভেসে এসেছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় তিমিটির অস্তিত্ব নিশ্চিত করেন স্থানীয় পরিবেশকর্মীরা।

উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের (উপরা) আহ্বায়ক কেএম বাচ্চু এবং ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমানের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, তিমিটি অন্তত ৫-৬ দিন আগে মারা গেছে। জাহাজের ধাক্কা, মাছ ধরার জালে আটকে যাওয়া, সামুদ্রিক দূষণ, রোগ সংক্রমণ, খাদ্য সংকট কিংবা বার্ধক্যজনিত কারণে এটি মারা যেতে পারে বলে ধারণা করা হলেও সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ও ময়নাতদন্ত (নেক্রোপসি) প্রয়োজন।

পরবর্তী সময়ে মৃত তিমিটি সৈকতের ঝাউবন এলাকায় ভেসে এলে স্থানীয় প্রশাসন ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে সেটিকে সৈকতেই মাটি চাপা দেওয়া হয়। মহিপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মনির হোসেন জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্টদের মতে, এক বছর পর তিমিটির কঙ্কাল তুলে সংরক্ষণ ও পর্যটকদের জন্য প্রদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬


কুয়াকাটা সৈকতে ভেসে এলো বিশাল মৃত তিমি

প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬

featured Image

পটুয়াখালীর কুয়াকাটাসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে আনুমানিক ৪০ থেকে ৪৫ ফুট দৈর্ঘ্যের একটি মৃত বেলিন (Baleen) প্রজাতির তিমি ভেসে এসেছে। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার গভীর সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় তিমিটির অস্তিত্ব নিশ্চিত করেন স্থানীয় পরিবেশকর্মীরা।

উপকূল পরিবেশ রক্ষা আন্দোলনের (উপরা) আহ্বায়ক কেএম বাচ্চু এবং ‘সুস্থ সাগর’ প্রকল্পের গবেষণা সহকারী মো. বখতিয়ার রহমানের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, তিমিটি অন্তত ৫-৬ দিন আগে মারা গেছে। জাহাজের ধাক্কা, মাছ ধরার জালে আটকে যাওয়া, সামুদ্রিক দূষণ, রোগ সংক্রমণ, খাদ্য সংকট কিংবা বার্ধক্যজনিত কারণে এটি মারা যেতে পারে বলে ধারণা করা হলেও সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা ও ময়নাতদন্ত (নেক্রোপসি) প্রয়োজন।

পরবর্তী সময়ে মৃত তিমিটি সৈকতের ঝাউবন এলাকায় ভেসে এলে স্থানীয় প্রশাসন ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শে সেটিকে সৈকতেই মাটি চাপা দেওয়া হয়। মহিপুর বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা মনির হোসেন জানিয়েছেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্টদের মতে, এক বছর পর তিমিটির কঙ্কাল তুলে সংরক্ষণ ও পর্যটকদের জন্য প্রদর্শনের উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ