লেবাননে ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযান দেশের নিরাপত্তাজনিত লক্ষ্য অর্জনের চেয়ে বরং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক টিকে থাকার সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত বলে মন্তব্য করেছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক কলিন ক্লার্ক।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এটিকে তিনি ইসরাইলের যুদ্ধ হিসেবে না দেখে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর যুদ্ধ হিসেবে দেখছেন। বিচারিক জবাবদিহিতা এড়াতে নেতানিয়াহুর যুদ্ধযন্ত্র চালু রাখা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
ক্লার্কের মতে, সংগীত থেমে গেলে যখন বসার জন্য একটি চেয়ার খুঁজতে হয়, নেতানিয়াহুও বর্তমানে ইসরাইলের অভ্যন্তরে ঠিক তেমন ব্যাপক রাজনৈতিক চাপের মুখে রয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটনের সমর্থন ছাড়া এই যুদ্ধ অনির্দিষ্টকাল চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় এবং শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হাতেই রয়েছে। মার্কিন সমর্থন ছাড়া এই যুদ্ধের ধারাবাহিকতা থাকবে না এবং নেতানিয়াহু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে যুদ্ধ শুরু করতে রাজি করাতে পারলেও, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চাইলে সেই চাপ উল্টো দিকে প্রয়োগ করে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারেন।
এই বিশ্লেষকের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজের সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতা বোঝা। ইরান সম্পূর্ণভাবে আত্মসমর্পণ করবে না বা নতি স্বীকার করবে না এবং এটি এমন কোনো কাগুজে বাঘ নয় যাকে ভেনেজুয়েলার মতো রাতারাতি ক্ষমতাচ্যুত করা সম্ভব। ওয়াশিংটন যখন এই বাস্তবতা উপলব্ধি করবে, তখনই যুদ্ধ বন্ধের পথ সহজ হবে।

বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ জুন ২০২৬
লেবাননে ইসরাইলের চলমান সামরিক অভিযান দেশের নিরাপত্তাজনিত লক্ষ্য অর্জনের চেয়ে বরং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক টিকে থাকার সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত বলে মন্তব্য করেছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক কলিন ক্লার্ক।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এটিকে তিনি ইসরাইলের যুদ্ধ হিসেবে না দেখে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর যুদ্ধ হিসেবে দেখছেন। বিচারিক জবাবদিহিতা এড়াতে নেতানিয়াহুর যুদ্ধযন্ত্র চালু রাখা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
ক্লার্কের মতে, সংগীত থেমে গেলে যখন বসার জন্য একটি চেয়ার খুঁজতে হয়, নেতানিয়াহুও বর্তমানে ইসরাইলের অভ্যন্তরে ঠিক তেমন ব্যাপক রাজনৈতিক চাপের মুখে রয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ওয়াশিংটনের সমর্থন ছাড়া এই যুদ্ধ অনির্দিষ্টকাল চালিয়ে যাওয়া সম্ভব নয় এবং শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্তটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের হাতেই রয়েছে। মার্কিন সমর্থন ছাড়া এই যুদ্ধের ধারাবাহিকতা থাকবে না এবং নেতানিয়াহু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে যুদ্ধ শুরু করতে রাজি করাতে পারলেও, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চাইলে সেই চাপ উল্টো দিকে প্রয়োগ করে যুদ্ধের অবসান ঘটাতে পারেন।
এই বিশ্লেষকের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিজের সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতা বোঝা। ইরান সম্পূর্ণভাবে আত্মসমর্পণ করবে না বা নতি স্বীকার করবে না এবং এটি এমন কোনো কাগুজে বাঘ নয় যাকে ভেনেজুয়েলার মতো রাতারাতি ক্ষমতাচ্যুত করা সম্ভব। ওয়াশিংটন যখন এই বাস্তবতা উপলব্ধি করবে, তখনই যুদ্ধ বন্ধের পথ সহজ হবে।

আপনার মতামত লিখুন