অতীতে ছাত্রলীগ করা কর্মীরাও জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিতে পারবে—দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের এমন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নাহিদ ইসলামের এই অবস্থানের বিপরীতে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেন। রাশেদ খাঁন প্রশ্ন তোলেন, অতীতে ছাত্রলীগ করলে যদি এনসিপি করা যায়, তবে আওয়ামী লীগ করলে তারা কেন ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ হিসেবে রাজনীতি করতে পারবে না।
রাশেদ খাঁন তার পোস্টে উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ একটি বিশাল রাজনৈতিক দল এবং তাদের সবাইকে আন্ডারগ্রাউন্ডে না পাঠিয়ে বরং পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত। তিনি ব্যঙ্গ করে প্রস্তাব দেন যে, আওয়ামী লীগের কেউ এনসিপিতে, কেউ জামায়াতে, আবার কেউ নতুন কোনো প্ল্যাটফর্মে পুনর্বাসিত হতে পারে। তার মতে, ছাত্রলীগের জন্য যদি এনসিপির দুয়ার খোলা থাকে, তবে বৃহত্তর পরিসরে আওয়ামী লীগ কর্মীদেরও রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ থাকা যুক্তিযুক্ত।
বিএনপির এই নেতা কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর নাম উল্লেখ করে আরও বলেন, আশা করি এই প্রস্তাবনায় হাসনাত আবদুল্লাহর কোনো আপত্তি থাকবে না। তিনি হাসনাত আবদুল্লাহকে সংসদে দাঁড়িয়ে এই প্রস্তাব উত্থাপন করার এবং কণ্ঠভোটে তা পাস করিয়ে আনার আহ্বান জানান। রাশেদ খাঁনের এই প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা এনসিপির নীতি ও ভবিষ্যৎ অবস্থান নিয়ে নতুন বিতর্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
মূলত আজ দুপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীদের এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে নাহিদ ইসলাম বলেছিলেন যে, অতীতের পরিচয় মুখ্য নয়, বরং এনসিপির আদর্শ ধারণ করাই বড় কথা। তবে রাশেদ খাঁনের মতে, এই ধরনের ছাড় দেওয়া মূলত নির্দিষ্ট একটি পক্ষকে পুনর্বাসিত করার নামান্তর। তার এই ফেসবুক পোস্টটি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এনসিপি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের অবস্থানের প্রতি এক ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
অতীতে ছাত্রলীগ করা কর্মীরাও জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিতে পারবে—দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের এমন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছেন বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন। রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি নাহিদ ইসলামের এই অবস্থানের বিপরীতে বিদ্রূপাত্মক মন্তব্য করেন। রাশেদ খাঁন প্রশ্ন তোলেন, অতীতে ছাত্রলীগ করলে যদি এনসিপি করা যায়, তবে আওয়ামী লীগ করলে তারা কেন ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ হিসেবে রাজনীতি করতে পারবে না।
রাশেদ খাঁন তার পোস্টে উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ একটি বিশাল রাজনৈতিক দল এবং তাদের সবাইকে আন্ডারগ্রাউন্ডে না পাঠিয়ে বরং পুনর্বাসনের সুযোগ দেওয়া উচিত। তিনি ব্যঙ্গ করে প্রস্তাব দেন যে, আওয়ামী লীগের কেউ এনসিপিতে, কেউ জামায়াতে, আবার কেউ নতুন কোনো প্ল্যাটফর্মে পুনর্বাসিত হতে পারে। তার মতে, ছাত্রলীগের জন্য যদি এনসিপির দুয়ার খোলা থাকে, তবে বৃহত্তর পরিসরে আওয়ামী লীগ কর্মীদেরও রাজনৈতিকভাবে পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ থাকা যুক্তিযুক্ত।
বিএনপির এই নেতা কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর নাম উল্লেখ করে আরও বলেন, আশা করি এই প্রস্তাবনায় হাসনাত আবদুল্লাহর কোনো আপত্তি থাকবে না। তিনি হাসনাত আবদুল্লাহকে সংসদে দাঁড়িয়ে এই প্রস্তাব উত্থাপন করার এবং কণ্ঠভোটে তা পাস করিয়ে আনার আহ্বান জানান। রাশেদ খাঁনের এই প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা এনসিপির নীতি ও ভবিষ্যৎ অবস্থান নিয়ে নতুন বিতর্কের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
মূলত আজ দুপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীদের এনসিপিতে যোগদান অনুষ্ঠানে নাহিদ ইসলাম বলেছিলেন যে, অতীতের পরিচয় মুখ্য নয়, বরং এনসিপির আদর্শ ধারণ করাই বড় কথা। তবে রাশেদ খাঁনের মতে, এই ধরনের ছাড় দেওয়া মূলত নির্দিষ্ট একটি পক্ষকে পুনর্বাসিত করার নামান্তর। তার এই ফেসবুক পোস্টটি বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এনসিপি এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের অবস্থানের প্রতি এক ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন