ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই আবারও শক্তি প্রদর্শন করল উত্তর কোরিয়া। রোববার সকালে দেশটির পূর্ব উপকূল থেকে সাগরে বেশ কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে কিম জং উন প্রশাসন। চলতি মাসে এটি পিয়ংইয়ংয়ের চতুর্থ এবং বছরের সপ্তম ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের এই সময়ে পিয়ংইয়ং বিশ্বকে বার্তা দিতে চাইছে যে তারা আত্মরক্ষায় সক্ষম। দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা কিম কি-জং মন্তব্য করেছেন যে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যখন যুদ্ধ চলছে, তখন উত্তর কোরিয়া নিজেদের সামরিক সক্ষমতা আরও সুসংহত হওয়ার বিষয়টি দেখাতে চাচ্ছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, রোববার ভোর ৬টা ১০ মিনিটের দিকে সিনপো শহর থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছোড়া হয়, যা প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে সাগরে পড়ে। সিনপো শহরটি উত্তর কোরিয়ার সাবমেরিন এবং সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
জাপান সরকার এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের খবর নিশ্চিত করেছে এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক ডেকে একে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলুশনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থাও সতর্ক করেছে যে, উত্তর কোরিয়া তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সুবিধা বাড়িয়ে পারমাণবিক শক্তি অর্জনে গুরুতর অগ্রগতি সাধন করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করলেও, পিয়ংইয়ং আলোচনার আগে সামরিক শক্তি জাহির করার কৌশল নিয়েছে। কিম জং উন গত মার্চেই ঘোষণা করেছিলেন যে, পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে উত্তর কোরিয়ার মর্যাদা এখন ‘অপরিবর্তনীয়’।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই আবারও শক্তি প্রদর্শন করল উত্তর কোরিয়া। রোববার সকালে দেশটির পূর্ব উপকূল থেকে সাগরে বেশ কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে কিম জং উন প্রশাসন। চলতি মাসে এটি পিয়ংইয়ংয়ের চতুর্থ এবং বছরের সপ্তম ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের এই সময়ে পিয়ংইয়ং বিশ্বকে বার্তা দিতে চাইছে যে তারা আত্মরক্ষায় সক্ষম। দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা কিম কি-জং মন্তব্য করেছেন যে, ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যখন যুদ্ধ চলছে, তখন উত্তর কোরিয়া নিজেদের সামরিক সক্ষমতা আরও সুসংহত হওয়ার বিষয়টি দেখাতে চাচ্ছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, রোববার ভোর ৬টা ১০ মিনিটের দিকে সিনপো শহর থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ছোড়া হয়, যা প্রায় ১৪০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে সাগরে পড়ে। সিনপো শহরটি উত্তর কোরিয়ার সাবমেরিন এবং সাবমেরিন থেকে উৎক্ষেপণযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
জাপান সরকার এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের খবর নিশ্চিত করেছে এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক ডেকে একে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলুশনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছে। আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থাও সতর্ক করেছে যে, উত্তর কোরিয়া তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ সুবিধা বাড়িয়ে পারমাণবিক শক্তি অর্জনে গুরুতর অগ্রগতি সাধন করেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট এবং দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসার আগ্রহ প্রকাশ করলেও, পিয়ংইয়ং আলোচনার আগে সামরিক শক্তি জাহির করার কৌশল নিয়েছে। কিম জং উন গত মার্চেই ঘোষণা করেছিলেন যে, পারমাণবিক রাষ্ট্র হিসেবে উত্তর কোরিয়ার মর্যাদা এখন ‘অপরিবর্তনীয়’।

আপনার মতামত লিখুন