সারাদেশে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাস ছেয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। রোববার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন যে, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের জনরায় ও গণভোটকে অস্বীকার করা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে তিনি একটি বিকল্প শক্তি গড়ে তুলে বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের লড়াই সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম জানান, বৈষম্যবিরোধী বর্তমান কমিটির নেতারা এবং এবি পার্টির ব্যারিস্টার সানি ছাড়াও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের গুরুত্ব দিয়ে তারুণ্যের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি বৃহত্তর কোয়ালিশন গঠন করা হচ্ছে। দেশটাকে যেন আবার আগের কোনো বন্দোবস্তের দিকে ঠেলে দেওয়া না হয়, সেটিই তাদের মূল লক্ষ্য।
বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আওয়ামী লীগের জায়গায় কেবল বিএনপি প্রতিস্থাপিত হয়েছে। বিচার বিভাগসহ সকল প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করা হচ্ছে এবং সংস্কারের সম্ভাবনাগুলো নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। নাহিদ ইসলাম জোর দিয়ে বলেন, তারা কেবল ব্যক্তি বা দলের পরিবর্তন নয়, বরং সামগ্রিক ক্ষমতা কাঠামোর পরিবর্তন চান যেখানে বাংলাদেশ সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।
দলে যোগদানের ক্ষেত্রে সাবেক রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য হবে না উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির বা ছাত্রলীগ—কারও সাবেক পরিচয় বড় নয়, এনসিপিতে যোগ দিলে তারা দলের সংগঠক হিসেবে পরিচিত হবেন। তবে ফ্যাসিজম, গণহত্যা, চাঁদাবাজি বা দুর্নীতিতে অভিযুক্ত কাউকে দলে নেওয়া হবে না বলে তিনি সতর্ক করে দেন। জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সব ধর্ম ও মতের মানুষকে নিয়ে একটি বৈষম্যহীন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
সারাদেশে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও সন্ত্রাস ছেয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম। রোববার দুপুরে রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন যে, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনগণের জনরায় ও গণভোটকে অস্বীকার করা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে তিনি একটি বিকল্প শক্তি গড়ে তুলে বৈষম্যহীন ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশের লড়াই সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে নাহিদ ইসলাম জানান, বৈষম্যবিরোধী বর্তমান কমিটির নেতারা এবং এবি পার্টির ব্যারিস্টার সানি ছাড়াও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন। তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের গুরুত্ব দিয়ে তারুণ্যের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি বৃহত্তর কোয়ালিশন গঠন করা হচ্ছে। দেশটাকে যেন আবার আগের কোনো বন্দোবস্তের দিকে ঠেলে দেওয়া না হয়, সেটিই তাদের মূল লক্ষ্য।
বিএনপি সরকারের সমালোচনা করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, আওয়ামী লীগের জায়গায় কেবল বিএনপি প্রতিস্থাপিত হয়েছে। বিচার বিভাগসহ সকল প্রতিষ্ঠানকে দলীয়করণ করা হচ্ছে এবং সংস্কারের সম্ভাবনাগুলো নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। নাহিদ ইসলাম জোর দিয়ে বলেন, তারা কেবল ব্যক্তি বা দলের পরিবর্তন নয়, বরং সামগ্রিক ক্ষমতা কাঠামোর পরিবর্তন চান যেখানে বাংলাদেশ সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।
দলে যোগদানের ক্ষেত্রে সাবেক রাজনৈতিক পরিচয় মুখ্য হবে না উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, ছাত্রদল, ছাত্রশিবির বা ছাত্রলীগ—কারও সাবেক পরিচয় বড় নয়, এনসিপিতে যোগ দিলে তারা দলের সংগঠক হিসেবে পরিচিত হবেন। তবে ফ্যাসিজম, গণহত্যা, চাঁদাবাজি বা দুর্নীতিতে অভিযুক্ত কাউকে দলে নেওয়া হবে না বলে তিনি সতর্ক করে দেন। জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে সব ধর্ম ও মতের মানুষকে নিয়ে একটি বৈষম্যহীন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন