মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনার টেবিলকে ‘আত্মসমর্পণের মঞ্চে’ পরিণত করার চেষ্টা করছেন বলে তীব্র অভিযোগ তুলেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, ট্রাম্প আলোচনার আড়ালে আসলে নতুন করে যুদ্ধ উসকে দেওয়ার যৌক্তিকতা খুঁজছেন। গালিবাফ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কোনো ধরনের হুমকির মুখে ইরান সংলাপে বসতে রাজি নয়।
গালিবাফ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ট্রাম্পের এই আলোচনার প্রস্তাব কেবল একটি কৌশল, যার লক্ষ্য ইরানকে মাথা নত করতে বাধ্য করা অথবা যুদ্ধের পরিবেশ তৈরি করা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, গত দুই সপ্তাহে ইরান যুদ্ধক্ষেত্রে ‘নতুন কিছু পদক্ষেপ’ নেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ইরানি স্পিকারের এমন মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
গালিবাফের এই কঠোর অবস্থানের কারণে পাকিস্তানে নির্ধারিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার ফের আলোচনার জন্য ইসলামাবাদ যাওয়ার পরিকল্পনা করলেও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় সংলাপে বসার কোনো পরিকল্পনা তেহরানের নেই। ওয়াশিংটনের আলোচনার পদ্ধতির প্রতি ইরানের এই গভীর অবিশ্বাস পুরো কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলেছে।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আলোচনার টেবিলকে ‘আত্মসমর্পণের মঞ্চে’ পরিণত করার চেষ্টা করছেন বলে তীব্র অভিযোগ তুলেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। সোমবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, ট্রাম্প আলোচনার আড়ালে আসলে নতুন করে যুদ্ধ উসকে দেওয়ার যৌক্তিকতা খুঁজছেন। গালিবাফ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কোনো ধরনের হুমকির মুখে ইরান সংলাপে বসতে রাজি নয়।
গালিবাফ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ট্রাম্পের এই আলোচনার প্রস্তাব কেবল একটি কৌশল, যার লক্ষ্য ইরানকে মাথা নত করতে বাধ্য করা অথবা যুদ্ধের পরিবেশ তৈরি করা। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, গত দুই সপ্তাহে ইরান যুদ্ধক্ষেত্রে ‘নতুন কিছু পদক্ষেপ’ নেওয়ার সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ইরানি স্পিকারের এমন মন্তব্য মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক ও কূটনৈতিক উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
গালিবাফের এই কঠোর অবস্থানের কারণে পাকিস্তানে নির্ধারিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্ভাব্য শান্তি আলোচনার ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সিএনএন-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন প্রতিনিধিদল মঙ্গলবার ফের আলোচনার জন্য ইসলামাবাদ যাওয়ার পরিকল্পনা করলেও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় সংলাপে বসার কোনো পরিকল্পনা তেহরানের নেই। ওয়াশিংটনের আলোচনার পদ্ধতির প্রতি ইরানের এই গভীর অবিশ্বাস পুরো কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে জটিল করে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন