ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাকিস্তান সফর নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার সন্ধ্যায় প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদ পৌঁছানোর ঘোষণা দিলেও রয়টার্সসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, ভ্যান্সসহ মার্কিন প্রতিনিধি দলের কেউই এখনো ওয়াশিংটন ত্যাগ করেননি। ইরানের পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়ায় এই সফর স্থগিত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরান যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে আজই (মঙ্গলবার) একটি চুক্তি সই হতে পারে, যা ২০১৫ সালের জেসিপিওএ (JCPOA) চুক্তির চেয়েও কার্যকর হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানকে অবশ্যই পারমাণবিক সক্ষমতা ত্যাগ করতে হবে, অন্যথায় যুদ্ধ পুনরায় শুরু হতে পারে। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, মার্কিন অবরোধের কারণে ইরান প্রতিদিন প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। তবে একদিকে দ্রুত চুক্তির দাবি এবং অন্যদিকে 'তাড়াহুড়ো নেই'—ট্রাম্পের এমন স্ববিরোধী বক্তব্যে কূটনৈতিক মহলে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে।
এদিকে তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন অবরোধ বহাল রেখে তারা কোনো আলোচনায় অংশ নেবে না। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পাকিস্তান ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রের আচরণকে 'অবৈধ ও কূটনীতি বিরোধী' বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, পাকিস্তান সম্ভাব্য এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে কেন্দ্র করে ইসলামাবাদে কয়েক হাজার নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েনসহ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করলেও দুই পক্ষের অনড় অবস্থানে আলোচনার টেবিল শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখবে কি না, তা নিয়ে সংশয় কাটছে না।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সঙ্গে দ্বিতীয় দফা শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাকিস্তান সফর নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা ও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার সন্ধ্যায় প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদ পৌঁছানোর ঘোষণা দিলেও রয়টার্সসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যমতে, ভ্যান্সসহ মার্কিন প্রতিনিধি দলের কেউই এখনো ওয়াশিংটন ত্যাগ করেননি। ইরানের পক্ষ থেকে আলোচনায় অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়ায় এই সফর স্থগিত রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন যে, ইরান যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে আজই (মঙ্গলবার) একটি চুক্তি সই হতে পারে, যা ২০১৫ সালের জেসিপিওএ (JCPOA) চুক্তির চেয়েও কার্যকর হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরানকে অবশ্যই পারমাণবিক সক্ষমতা ত্যাগ করতে হবে, অন্যথায় যুদ্ধ পুনরায় শুরু হতে পারে। ট্রাম্প আরও দাবি করেন, মার্কিন অবরোধের কারণে ইরান প্রতিদিন প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। তবে একদিকে দ্রুত চুক্তির দাবি এবং অন্যদিকে 'তাড়াহুড়ো নেই'—ট্রাম্পের এমন স্ববিরোধী বক্তব্যে কূটনৈতিক মহলে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে।
এদিকে তেহরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, মার্কিন অবরোধ বহাল রেখে তারা কোনো আলোচনায় অংশ নেবে না। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি পাকিস্তান ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ফোনালাপে যুক্তরাষ্ট্রের আচরণকে 'অবৈধ ও কূটনীতি বিরোধী' বলে অভিহিত করেছেন। অন্যদিকে, পাকিস্তান সম্ভাব্য এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে কেন্দ্র করে ইসলামাবাদে কয়েক হাজার নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েনসহ ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করলেও দুই পক্ষের অনড় অবস্থানে আলোচনার টেবিল শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখবে কি না, তা নিয়ে সংশয় কাটছে না।

আপনার মতামত লিখুন