ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাকিস্তান সফর নিয়ে নতুন করে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে ভ্যান্স, জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফসহ একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল বর্তমানে ইসলামাবাদের পথে রয়েছেন। তবে রয়টার্সসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, জেডি ভ্যান্সসহ মার্কিন প্রতিনিধি দলের কেউই এখনো ওয়াশিংটন ত্যাগ করেননি।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফা আলোচনার ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত থাকায় এই সফর স্থগিত রাখা হয়েছে। এর আগে গত ১৯ এপ্রিল জেডি ভ্যান্স ২১ ঘণ্টা ইসলামাবাদে অবস্থান করেও ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। সেই সময় আলোচনার ব্যর্থতার জন্য উভয় পক্ষ একে অপরকে দোষারোপ করেছিল; যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগের অনড় অবস্থানের কথা বললেও ইরান আস্থার পরিবেশ তৈরিতে ওয়াশিংটনের আন্তরিকতার অভাবকে দায়ী করেছিল।
এদিকে ইরান শান্তি আলোচনায় অংশগ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করলেও এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। তবে মার্কিন প্রতিনিধি দলের এই সম্ভাব্য সফরকে কেন্দ্র করে ইসলামাবাদে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, জ্যারেড কুশনার ও জেডি ভ্যান্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের এই প্রক্রিয়ায় সরাসরি যুক্ত হওয়া ট্রাম্প প্রশাসনের আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ। এখন দেখার বিষয়, ইরান শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে ফিরে আসে কি না।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নিতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের পাকিস্তান সফর নিয়ে নতুন করে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন যে ভ্যান্স, জ্যারেড কুশনার ও স্টিভ উইটকফসহ একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল বর্তমানে ইসলামাবাদের পথে রয়েছেন। তবে রয়টার্সসহ একাধিক আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, জেডি ভ্যান্সসহ মার্কিন প্রতিনিধি দলের কেউই এখনো ওয়াশিংটন ত্যাগ করেননি।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, দ্বিতীয় দফা আলোচনার ভবিষ্যৎ এখনো অনিশ্চিত থাকায় এই সফর স্থগিত রাখা হয়েছে। এর আগে গত ১৯ এপ্রিল জেডি ভ্যান্স ২১ ঘণ্টা ইসলামাবাদে অবস্থান করেও ইরানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। সেই সময় আলোচনার ব্যর্থতার জন্য উভয় পক্ষ একে অপরকে দোষারোপ করেছিল; যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগের অনড় অবস্থানের কথা বললেও ইরান আস্থার পরিবেশ তৈরিতে ওয়াশিংটনের আন্তরিকতার অভাবকে দায়ী করেছিল।
এদিকে ইরান শান্তি আলোচনায় অংশগ্রহণের বিষয়টি বিবেচনা করলেও এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি। তবে মার্কিন প্রতিনিধি দলের এই সম্ভাব্য সফরকে কেন্দ্র করে ইসলামাবাদে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, জ্যারেড কুশনার ও জেডি ভ্যান্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের এই প্রক্রিয়ায় সরাসরি যুক্ত হওয়া ট্রাম্প প্রশাসনের আগ্রহের বহিঃপ্রকাশ। এখন দেখার বিষয়, ইরান শেষ পর্যন্ত আলোচনার টেবিলে ফিরে আসে কি না।

আপনার মতামত লিখুন