যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার নতুন সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। মঙ্গলবার দিনের শুরু থেকেই তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়, যা সময় বাড়ার সাথে সাথে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল থেকে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ার আশাবাদ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার ব্যারেল প্রতি ৬৯ সেন্ট কমে ৯৪.৭৯ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম কমেছে প্রায় ১.৩ শতাংশ। ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে গত সোমবার তেলের দাম যেখানে প্রায় ৬ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল, আলোচনার নতুন পথ তৈরি হওয়ায় বাজার পরিস্থিতি এখন পুনরায় স্থিতিশীল হতে শুরু করেছে।
এর আগে সপ্তাহান্তে উত্তেজনার ফলে তেলের দাম লাফিয়ে বাড়লেও বর্তমান কূটনৈতিক তৎপরতা সেই ঊর্ধ্বগতিকে থামিয়ে দিয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা সফল হলে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বর্তমান বাজার দরের ওপর। ক্রমবর্ধমান এই দরপতন বিশ্ব অর্থনীতিতে কিছুটা হলেও স্বস্তির আভাস দিচ্ছে।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শান্তি আলোচনা পুনরায় শুরু হওয়ার নতুন সম্ভাবনায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। মঙ্গলবার দিনের শুরু থেকেই তেলের দামে নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়, যা সময় বাড়ার সাথে সাথে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মূলত মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল থেকে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ার আশাবাদ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, আন্তর্জাতিক মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার ব্যারেল প্রতি ৬৯ সেন্ট কমে ৯৪.৭৯ ডলারে নেমে এসেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট বা ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম কমেছে প্রায় ১.৩ শতাংশ। ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে গত সোমবার তেলের দাম যেখানে প্রায় ৬ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছিল, আলোচনার নতুন পথ তৈরি হওয়ায় বাজার পরিস্থিতি এখন পুনরায় স্থিতিশীল হতে শুরু করেছে।
এর আগে সপ্তাহান্তে উত্তেজনার ফলে তেলের দাম লাফিয়ে বাড়লেও বর্তমান কূটনৈতিক তৎপরতা সেই ঊর্ধ্বগতিকে থামিয়ে দিয়েছে। বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দুই দেশের মধ্যে আলোচনা সফল হলে তেলের সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হবে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বর্তমান বাজার দরের ওপর। ক্রমবর্ধমান এই দরপতন বিশ্ব অর্থনীতিতে কিছুটা হলেও স্বস্তির আভাস দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন