জাতীয় সংসদের সদস্যদের (এমপি) নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি উপজেলা পরিষদে বসার জন্য সুনির্দিষ্ট জায়গা করে দিচ্ছে সরকার। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করা হয়েছে বলেও তিনি সংসদকে অবহিত করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সংসদ সদস্যদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পরামর্শক্রমে জারি করা এই আদেশে বলা হয়েছে, প্রতিটি উপজেলা পরিষদের দোতলায় অ্যাটাচ বাথরুম ও প্রয়োজনীয় আসবাবসহ একটি কক্ষ প্রস্তুত থাকবে। কারিগরি কারণে কক্ষটির নামকরণ করা হয়েছে ‘পরিদর্শন কক্ষ’, যেখানে এমপিরা বসে দাপ্তরিক কাজ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন। কোনো সংসদীয় আসনে একাধিক উপজেলা থাকলে, প্রতিটিতেই এই সুবিধা পাবেন সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য।
সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিরোধী দল। এ সময় এনসিপি’র সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে সকল সংসদ সদস্যের জন্য সরকারি গাড়ির ব্যবস্থা করার দাবি উত্থাপন করেন। তার এই দাবিতে সংসদের অনেক সদস্য টেবিল চাপড়ে সমর্থন ব্যক্ত করেন। এর আগে গত ৩১ মার্চ এনসিপি’র আরেক সংসদ সদস্য আতিকুর রহমান এই দাবি উত্থাপন করেছিলেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলে উপজেলা পর্যায়ে সংসদ সদস্যদের দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা এবং তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ আরও সহজতর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সংসদীয় কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে এবং জনপ্রতিনিধিদের কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদের সদস্যদের (এমপি) নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি উপজেলা পরিষদে বসার জন্য সুনির্দিষ্ট জায়গা করে দিচ্ছে সরকার। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানান। ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করা হয়েছে বলেও তিনি সংসদকে অবহিত করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, সংসদ সদস্যদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পরামর্শক্রমে জারি করা এই আদেশে বলা হয়েছে, প্রতিটি উপজেলা পরিষদের দোতলায় অ্যাটাচ বাথরুম ও প্রয়োজনীয় আসবাবসহ একটি কক্ষ প্রস্তুত থাকবে। কারিগরি কারণে কক্ষটির নামকরণ করা হয়েছে ‘পরিদর্শন কক্ষ’, যেখানে এমপিরা বসে দাপ্তরিক কাজ এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারবেন। কোনো সংসদীয় আসনে একাধিক উপজেলা থাকলে, প্রতিটিতেই এই সুবিধা পাবেন সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য।
সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বিরোধী দল। এ সময় এনসিপি’র সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে সকল সংসদ সদস্যের জন্য সরকারি গাড়ির ব্যবস্থা করার দাবি উত্থাপন করেন। তার এই দাবিতে সংসদের অনেক সদস্য টেবিল চাপড়ে সমর্থন ব্যক্ত করেন। এর আগে গত ৩১ মার্চ এনসিপি’র আরেক সংসদ সদস্য আতিকুর রহমান এই দাবি উত্থাপন করেছিলেন।
এই সিদ্ধান্তের ফলে উপজেলা পর্যায়ে সংসদ সদস্যদের দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা এবং তৃণমূলের মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ আরও সহজতর হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সংসদীয় কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে এবং জনপ্রতিনিধিদের কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগকে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন