ইরান যুদ্ধ এবং পোপ লিও-র প্রতি অবমাননাকর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মানসিক সক্ষমতা ও মেজাজ নিয়ে খোদ নিজ দেশের জনগণের মধ্যেই চরম অনাস্থা তৈরি হয়েছে। রয়টার্স ও ইপসোসের সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে উঠে এসেছে যে, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা বর্তমানে তাঁর মেয়াদের সর্বনিম্ন ৩৬ শতাংশে নেমে এসেছে। জরিপ অনুযায়ী, ৬২ শতাংশ মার্কিনি তাঁর কর্মকাণ্ডের প্রতি সরাসরি অনাস্থা প্রকাশ করেছেন।
সোমবার শেষ হওয়া ছয় দিনব্যাপী এই জরিপে দেখা গেছে, অর্ধেকেরও বেশি মার্কিনি মনে করেন গত এক বছরে ট্রাম্পের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা বা মানসিক তীক্ষ্ণতা হ্রাস পেয়েছে। এমনকি রিপাবলিকান পার্টির সমর্থকদের মধ্যেও এই নিয়ে বিভক্তি স্পষ্ট; প্রায় ৪৬ শতাংশ সমর্থক তাঁকে শান্ত মেজাজের মানুষ হিসেবে মানতে নারাজ। সম্প্রতি ইরানের সভ্যতা ধ্বংসের হুমকি এবং পোপ লিও-র সমালোচনা করায় ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি সাধারণ ভোটারদের কাছে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।
বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় ট্রাম্পের ওপর সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বেড়েছে। জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ২৬ শতাংশ নাগরিক জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের ক্ষমতার ওপর আস্থা রাখেন। এছাড়া, মাত্র ২৫ শতাংশ মার্কিনি বিশ্বাস করেন যে ইরানের ওপর হামলা আমেরিকাকে নিরাপদ করবে। আন্তর্জাতিক মিত্রদের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ট্রাম্পের অবস্থান জনসমর্থন পাচ্ছে না; মাত্র ১৬ শতাংশ নাগরিক ন্যাটো ত্যাগের পক্ষে মত দিয়েছেন।
সামগ্রিকভাবে, ডেনমার্কের মতো মিত্র দেশকে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের হুমকি এবং স্পর্শকাতর ইস্যুতে অসংলগ্ন মন্তব্যের কারণে ট্রাম্পের নেতৃত্ব ও স্থিতিশীলতা এখন বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে। জনমত জরিপের এই ফল নির্দেশ করছে যে, খ্যাপাটে আচরণ ও খামখেয়ালি সিদ্ধান্তের কারণে খোদ আমেরিকার অভ্যন্তরেই ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থান অত্যন্ত নড়বড়ে হয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ এপ্রিল ২০২৬
ইরান যুদ্ধ এবং পোপ লিও-র প্রতি অবমাননাকর মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মানসিক সক্ষমতা ও মেজাজ নিয়ে খোদ নিজ দেশের জনগণের মধ্যেই চরম অনাস্থা তৈরি হয়েছে। রয়টার্স ও ইপসোসের সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে উঠে এসেছে যে, ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা বর্তমানে তাঁর মেয়াদের সর্বনিম্ন ৩৬ শতাংশে নেমে এসেছে। জরিপ অনুযায়ী, ৬২ শতাংশ মার্কিনি তাঁর কর্মকাণ্ডের প্রতি সরাসরি অনাস্থা প্রকাশ করেছেন।
সোমবার শেষ হওয়া ছয় দিনব্যাপী এই জরিপে দেখা গেছে, অর্ধেকেরও বেশি মার্কিনি মনে করেন গত এক বছরে ট্রাম্পের বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা বা মানসিক তীক্ষ্ণতা হ্রাস পেয়েছে। এমনকি রিপাবলিকান পার্টির সমর্থকদের মধ্যেও এই নিয়ে বিভক্তি স্পষ্ট; প্রায় ৪৬ শতাংশ সমর্থক তাঁকে শান্ত মেজাজের মানুষ হিসেবে মানতে নারাজ। সম্প্রতি ইরানের সভ্যতা ধ্বংসের হুমকি এবং পোপ লিও-র সমালোচনা করায় ট্রাম্পের ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি সাধারণ ভোটারদের কাছে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।
বিশেষ করে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি তেলের দাম আকাশচুম্বী হওয়ায় ট্রাম্পের ওপর সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বেড়েছে। জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ২৬ শতাংশ নাগরিক জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ন্ত্রণে ট্রাম্পের ক্ষমতার ওপর আস্থা রাখেন। এছাড়া, মাত্র ২৫ শতাংশ মার্কিনি বিশ্বাস করেন যে ইরানের ওপর হামলা আমেরিকাকে নিরাপদ করবে। আন্তর্জাতিক মিত্রদের সাথে সম্পর্কের ক্ষেত্রেও ট্রাম্পের অবস্থান জনসমর্থন পাচ্ছে না; মাত্র ১৬ শতাংশ নাগরিক ন্যাটো ত্যাগের পক্ষে মত দিয়েছেন।
সামগ্রিকভাবে, ডেনমার্কের মতো মিত্র দেশকে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের হুমকি এবং স্পর্শকাতর ইস্যুতে অসংলগ্ন মন্তব্যের কারণে ট্রাম্পের নেতৃত্ব ও স্থিতিশীলতা এখন বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে। জনমত জরিপের এই ফল নির্দেশ করছে যে, খ্যাপাটে আচরণ ও খামখেয়ালি সিদ্ধান্তের কারণে খোদ আমেরিকার অভ্যন্তরেই ট্রাম্পের রাজনৈতিক অবস্থান অত্যন্ত নড়বড়ে হয়ে পড়েছে।

আপনার মতামত লিখুন