প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আপ্যায়ন ও খাবারের বাজেট আগের তুলনায় পাঁচ গুণ কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। বুধবার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই কৃচ্ছ্রসাধন নীতির তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একজনের দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাশতা মিলিয়ে মোট বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ১৫০ টাকা, যা পূর্ববর্তী সময়ে এই অংকের পাঁচ গুণেরও বেশি ছিল।
উপদেষ্টা তাঁর পোস্টে একটি সাম্প্রতিক সভার উদাহরণ টেনে জানান, নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এক মতবিনিময় সভায় দুপুরের খাবারের মেন্যুতে ছিল অত্যন্ত সাধারণ ও দেশীয় পদ। খাবারের তালিকায় স্থান পেয়েছে ভাত, ছোট চিংড়ি দিয়ে লাউ, ঢেঁড়শ ভাজা, সেদ্ধ ডিম রান্না, ডাল এবং দই। এই পদক্ষেপটি সরকারি ব্যয় সংকোচনের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই সিদ্ধান্ত সরকারি পর্যায়ে অপচয় রোধ এবং সাধারণ জীবনযাপনের প্রতি গুরুত্বারোপের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ডা. জাহেদ উর রহমানের এই তথ্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসার পর থেকে বিভিন্ন মহলে এটি আলোচিত হচ্ছে, যা প্রশাসনের ব্যয় ব্যবস্থাপনায় এক নতুন বার্তা প্রদান করছে।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আপ্যায়ন ও খাবারের বাজেট আগের তুলনায় পাঁচ গুণ কমানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। বুধবার নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই কৃচ্ছ্রসাধন নীতির তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে একজনের দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাশতা মিলিয়ে মোট বাজেট নির্ধারণ করা হয়েছে মাত্র ১৫০ টাকা, যা পূর্ববর্তী সময়ে এই অংকের পাঁচ গুণেরও বেশি ছিল।
উপদেষ্টা তাঁর পোস্টে একটি সাম্প্রতিক সভার উদাহরণ টেনে জানান, নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব) প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এক মতবিনিময় সভায় দুপুরের খাবারের মেন্যুতে ছিল অত্যন্ত সাধারণ ও দেশীয় পদ। খাবারের তালিকায় স্থান পেয়েছে ভাত, ছোট চিংড়ি দিয়ে লাউ, ঢেঁড়শ ভাজা, সেদ্ধ ডিম রান্না, ডাল এবং দই। এই পদক্ষেপটি সরকারি ব্যয় সংকোচনের একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই সিদ্ধান্ত সরকারি পর্যায়ে অপচয় রোধ এবং সাধারণ জীবনযাপনের প্রতি গুরুত্বারোপের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ডা. জাহেদ উর রহমানের এই তথ্যটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আসার পর থেকে বিভিন্ন মহলে এটি আলোচিত হচ্ছে, যা প্রশাসনের ব্যয় ব্যবস্থাপনায় এক নতুন বার্তা প্রদান করছে।

আপনার মতামত লিখুন