মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার দগ্ধ শিশু লামিয়ার (৮) চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। গত বুধবার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন শিশুটিকে দেখতে গিয়ে তিনি এই ঘোষণা দেন। রাজনীতিকে মানুষের কল্যাণের মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করে ড. মারুফ শিশুটির দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।
গত ২০ এপ্রিল বৈদ্যুতিক তারের স্পর্শে গুরুতর দগ্ধ হয় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী লামিয়া। তার শরীরের প্রায় ২৮ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় তাকে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, লামিয়াকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগোচ্ছে।
দগ্ধ শিশুটির চিকিৎসা তদারকির জন্য একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে, যারা নিয়মিত তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর রাখছেন। মেঘনা উপজেলার ভাওরখোলা গ্রামের দরিদ্র কৃষক সাহাব উদ্দিনের কন্যার পাশে ড. খন্দকার মারুফের এই মানবিক অবস্থানকে সাধুবাদ জানিয়েছে তার পরিবার ও স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ। বর্তমানে সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিশুটিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার দগ্ধ শিশু লামিয়ার (৮) চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন। গত বুধবার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন শিশুটিকে দেখতে গিয়ে তিনি এই ঘোষণা দেন। রাজনীতিকে মানুষের কল্যাণের মাধ্যম হিসেবে উল্লেখ করে ড. মারুফ শিশুটির দ্রুত সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।
গত ২০ এপ্রিল বৈদ্যুতিক তারের স্পর্শে গুরুতর দগ্ধ হয় চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী লামিয়া। তার শরীরের প্রায় ২৮ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় তাকে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, লামিয়াকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে এবং তার শারীরিক অবস্থা ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগোচ্ছে।
দগ্ধ শিশুটির চিকিৎসা তদারকির জন্য একটি বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে, যারা নিয়মিত তার স্বাস্থ্যের খোঁজখবর রাখছেন। মেঘনা উপজেলার ভাওরখোলা গ্রামের দরিদ্র কৃষক সাহাব উদ্দিনের কন্যার পাশে ড. খন্দকার মারুফের এই মানবিক অবস্থানকে সাধুবাদ জানিয়েছে তার পরিবার ও স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ। বর্তমানে সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার মাধ্যমে শিশুটিকে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন