ইরান এবং ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব এবার সরাসরি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনীতিতে পড়তে শুরু করেছে। ইইউ-এর অর্থনীতি ও উৎপাদনশীলতা বিষয়ক কমিশনার ভালদিস ডোমব্রোভসকিস জানিয়েছেন, এই যুদ্ধের ফলে ইউরোপের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ০.২ থেকে ০.৬ শতাংশ পর্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং বিমানের জ্বালানির দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় চরম সংকটের মুখে পড়েছে এই মহাদেশ।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের কারণে উদ্ভূত এই অচলাবস্থায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর প্রতিদিন প্রায় ৫৮ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। ইউরোপীয় কমিশনার সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন যে, যুদ্ধের স্থায়িত্ব বাড়লে এই ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় ইউরোপের শিল্প উৎপাদন ও পরিবহণ খাত এখন চরম চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হলে বা বিকল্প কোনো জ্বালানি পথ খুঁজে বের করতে না পারলে ইউরোপীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়া অনিবার্য। যুদ্ধের ফলে সরবরাহ ব্যবস্থার যে বিঘ্ন ঘটেছে, তা এরই মধ্যে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও বাজার ব্যবস্থায় অস্থিরতা তৈরি করেছে।
তবে এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেও একটি ইতিবাচক খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার জার্মানির বৃহৎ শিপিং অপারেটর হ্যাপাগ-লয়েড কোম্পানির একটি জাহাজ সফলভাবে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। জাহাজ চলাচলে কঠোর কড়াকড়ি ও চরম ঝুঁকির মধ্যে এই সফল পারাপারকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে, যা অবরুদ্ধ এই নৌপথে বাণিজ্যিক চলাচলের ক্ষেত্রে কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
ইরান এবং ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব এবার সরাসরি ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনীতিতে পড়তে শুরু করেছে। ইইউ-এর অর্থনীতি ও উৎপাদনশীলতা বিষয়ক কমিশনার ভালদিস ডোমব্রোভসকিস জানিয়েছেন, এই যুদ্ধের ফলে ইউরোপের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ০.২ থেকে ০.৬ শতাংশ পর্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। পারস্য উপসাগরের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং বিমানের জ্বালানির দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় চরম সংকটের মুখে পড়েছে এই মহাদেশ।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধের কারণে উদ্ভূত এই অচলাবস্থায় ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলোর প্রতিদিন প্রায় ৫৮ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। ইউরোপীয় কমিশনার সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন যে, যুদ্ধের স্থায়িত্ব বাড়লে এই ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় ইউরোপের শিল্প উৎপাদন ও পরিবহণ খাত এখন চরম চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দ্রুত যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হলে বা বিকল্প কোনো জ্বালানি পথ খুঁজে বের করতে না পারলে ইউরোপীয় অর্থনীতিতে বড় ধরনের মন্দা দেখা দেওয়া অনিবার্য। যুদ্ধের ফলে সরবরাহ ব্যবস্থার যে বিঘ্ন ঘটেছে, তা এরই মধ্যে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা ও বাজার ব্যবস্থায় অস্থিরতা তৈরি করেছে।
তবে এই উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেও একটি ইতিবাচক খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার জার্মানির বৃহৎ শিপিং অপারেটর হ্যাপাগ-লয়েড কোম্পানির একটি জাহাজ সফলভাবে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করেছে। জাহাজ চলাচলে কঠোর কড়াকড়ি ও চরম ঝুঁকির মধ্যে এই সফল পারাপারকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে, যা অবরুদ্ধ এই নৌপথে বাণিজ্যিক চলাচলের ক্ষেত্রে কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন