ন্যাটোর সদস্যপদ থেকে স্পেনকে স্থগিত বা বাতিল করার সম্ভাবনা নিয়ে ছড়িয়ে পড়া খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব বলে অভিহিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। শুক্রবার সাইপ্রাসে আয়োজিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক অনানুষ্ঠানিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সময় তিনি গণমাধ্যমের কাছে এ প্রতিক্রিয়া জানান। সানচেজ স্পষ্ট করে বলেন যে, স্পেন ন্যাটোর একটি অনুগত অংশীদার এবং জোটের প্রতি তার সমস্ত প্রতিশ্রুতি যথাযথভাবে পালন করে আসছে।
সম্প্রতি পেন্টাগনের একটি অভ্যন্তরীণ ইমেইল ফাঁস হওয়ার পর এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়, যেখানে মার্কিন কর্মকর্তাদের স্পেনকে ন্যাটো থেকে স্থগিত করার মতো কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনার তথ্য পাওয়া যায়। মূলত ইরান অভিযানে মার্কিন বাহিনীকে নিজেদের সামরিক ঘাঁটি এবং আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় মাদ্রিদের ওপর ওয়াশিংটন ক্ষুব্ধ বলে জানা গেছে। এই প্রসঙ্গের জবাবে সানচেজ বলেন, স্পেন কোনো ইমেইলের ওপর ভিত্তি করে নয় বরং সরকারি অবস্থান ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে কাজ করে।
প্রধানমন্ত্রী সানচেজ আরও উল্লেখ করেন যে, ইরান সংকটে মার্কিন সামরিক অভিযানে সরাসরি শরিক না হওয়া মূলত আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি স্পেনের দায়বদ্ধতারই বহিঃপ্রকাশ। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পেনের প্রতিরক্ষা বাজেট বৃদ্ধি না করা এবং ইরান অভিযানে সহযোগিতা না করায় দেশটির তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। তবে সানচেজ মিত্রদের সাথে পূর্ণ সহযোগিতায় বিশ্বাসী হলেও তা আইনি কাঠামোর মধ্যে হওয়ার ওপর জোর দেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ন্যাটোর কোনো সদস্য রাষ্ট্রকে তার সম্মতি ছাড়া বহিষ্কার করার আইনি সুযোগ নেই, কারণ জোটের সিদ্ধান্তগুলো সব সদস্যের সর্বসম্মত সম্মতির ভিত্তিতে নিতে হয়। ফলে পেন্টাগনের এই কথিত পদক্ষেপকে মূলত মিত্র দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী শান্তভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে জোটের প্রতি তার দেশের আনুগত্য পুনরায় নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
ন্যাটোর সদস্যপদ থেকে স্পেনকে স্থগিত বা বাতিল করার সম্ভাবনা নিয়ে ছড়িয়ে পড়া খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও গুজব বলে অভিহিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ। শুক্রবার সাইপ্রাসে আয়োজিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের এক অনানুষ্ঠানিক শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সময় তিনি গণমাধ্যমের কাছে এ প্রতিক্রিয়া জানান। সানচেজ স্পষ্ট করে বলেন যে, স্পেন ন্যাটোর একটি অনুগত অংশীদার এবং জোটের প্রতি তার সমস্ত প্রতিশ্রুতি যথাযথভাবে পালন করে আসছে।
সম্প্রতি পেন্টাগনের একটি অভ্যন্তরীণ ইমেইল ফাঁস হওয়ার পর এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়, যেখানে মার্কিন কর্মকর্তাদের স্পেনকে ন্যাটো থেকে স্থগিত করার মতো কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনার তথ্য পাওয়া যায়। মূলত ইরান অভিযানে মার্কিন বাহিনীকে নিজেদের সামরিক ঘাঁটি এবং আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় মাদ্রিদের ওপর ওয়াশিংটন ক্ষুব্ধ বলে জানা গেছে। এই প্রসঙ্গের জবাবে সানচেজ বলেন, স্পেন কোনো ইমেইলের ওপর ভিত্তি করে নয় বরং সরকারি অবস্থান ও আন্তর্জাতিক আইনের ভিত্তিতে কাজ করে।
প্রধানমন্ত্রী সানচেজ আরও উল্লেখ করেন যে, ইরান সংকটে মার্কিন সামরিক অভিযানে সরাসরি শরিক না হওয়া মূলত আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি স্পেনের দায়বদ্ধতারই বহিঃপ্রকাশ। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পেনের প্রতিরক্ষা বাজেট বৃদ্ধি না করা এবং ইরান অভিযানে সহযোগিতা না করায় দেশটির তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। তবে সানচেজ মিত্রদের সাথে পূর্ণ সহযোগিতায় বিশ্বাসী হলেও তা আইনি কাঠামোর মধ্যে হওয়ার ওপর জোর দেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ন্যাটোর কোনো সদস্য রাষ্ট্রকে তার সম্মতি ছাড়া বহিষ্কার করার আইনি সুযোগ নেই, কারণ জোটের সিদ্ধান্তগুলো সব সদস্যের সর্বসম্মত সম্মতির ভিত্তিতে নিতে হয়। ফলে পেন্টাগনের এই কথিত পদক্ষেপকে মূলত মিত্র দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী শান্তভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করে জোটের প্রতি তার দেশের আনুগত্য পুনরায় নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন