নাটোরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। লালপুর ও বড়াইগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় দুই গ্রামবাসীর এই সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে বড়াইগ্রাম ও লালপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গোধড়া ব্রিজ ও গুনাইহাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের সময় একটি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় এবং একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। উত্তেজিত জনতা নাটোর-পাবনা মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে প্রায় দেড় ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে, যার ফলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আহতদের মধ্যে বড়াইগ্রামের ওয়ার্ড যুবদল নেতা পল্লী চিকিৎসক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ এবং লালপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মজনু পাটোয়ারীর নাম জানা গেছে। তাদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লালপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মজনু পাটোয়ারী এবং সদস্য নাদিম হোসেন দোহার মধ্যে কদিমচিলান ইউপি নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন এবং এলাকায় আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার দুপুরে গোধড়া বাজারে পল্লী চিকিৎসক রাশেদের দোকানে বসাকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মজনুর কর্মীরা রাশেদকে মারধর ও তার দোকান ভাঙচুর করে। এই খবর রাশেদের গ্রাম গুনাইহাটিতে ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মহাসড়ক থেকে অবরোধ সরিয়ে নেয়। বড়াইগ্রাম থানার ওসি আব্দুস ছালাম জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
নাটোরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে যুবদলের দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। লালপুর ও বড়াইগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় দুই গ্রামবাসীর এই সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার দুপুরে বড়াইগ্রাম ও লালপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গোধড়া ব্রিজ ও গুনাইহাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের সময় একটি দোকানে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয় এবং একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করা হয়। উত্তেজিত জনতা নাটোর-পাবনা মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে প্রায় দেড় ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে, যার ফলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আহতদের মধ্যে বড়াইগ্রামের ওয়ার্ড যুবদল নেতা পল্লী চিকিৎসক রাশেদুল ইসলাম রাশেদ এবং লালপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মজনু পাটোয়ারীর নাম জানা গেছে। তাদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, লালপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মজনু পাটোয়ারী এবং সদস্য নাদিম হোসেন দোহার মধ্যে কদিমচিলান ইউপি নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন এবং এলাকায় আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। শুক্রবার দুপুরে গোধড়া বাজারে পল্লী চিকিৎসক রাশেদের দোকানে বসাকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মজনুর কর্মীরা রাশেদকে মারধর ও তার দোকান ভাঙচুর করে। এই খবর রাশেদের গ্রাম গুনাইহাটিতে ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মহাসড়ক থেকে অবরোধ সরিয়ে নেয়। বড়াইগ্রাম থানার ওসি আব্দুস ছালাম জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন