গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় এক জর্ডান প্রবাসী তার মায়ের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণ করতে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করতে গিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার নারকেলবাড়ী গ্রামের সতীশ মধুর ছেলে মিলন মধু এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের মধ্য দিয়ে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় বিয়ে করতে যান।
মিলন মধু দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে জর্ডানে কর্মরত। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। তিনি জানান, তার মায়ের প্রবল ইচ্ছা ছিল ছোট ছেলে যেন হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করতে যায়। মায়ের সেই ইচ্ছা এবং সম্মান রক্ষার্থেই তিনি এই বিশেষ ব্যবস্থা করেন। কনে মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার মহিষমারি গ্রামের পলাশ সরকারের মেয়ে কলেজছাত্রী প্রেরণা সরকার।
শুক্রবার দুপুরে বিয়ের হেলিকপ্টারটি নারকেলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করলে আশপাশের গ্রামের শত শত উৎসুক জনতা সেখানে ভিড় জমান। এই এলাকায় হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের ঘটনা এটাই প্রথম বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। মিলনের মা ললিতা মধু ছেলের এই উদ্যোগে অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি জানান, আগামী রবিবার মিলন তার নববধূকে নিয়ে আবারও হেলিকপ্টারে চড়েই বাড়ি ফিরবেন।
মিলনের স্বজন এবং স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য বিজয় মধু জানান, প্রবাসী ভাতিজার এমন আয়োজনে তারা সবাই গর্বিত ও আনন্দিত। পারিবারিক এই বিয়েটি এখন পুরো উপজেলার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় এক জর্ডান প্রবাসী তার মায়ের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণ করতে হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করতে গিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছেন। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার নারকেলবাড়ী গ্রামের সতীশ মধুর ছেলে মিলন মধু এই ব্যতিক্রমী আয়োজনের মধ্য দিয়ে মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় বিয়ে করতে যান।
মিলন মধু দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে জর্ডানে কর্মরত। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি সবার ছোট। তিনি জানান, তার মায়ের প্রবল ইচ্ছা ছিল ছোট ছেলে যেন হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ে করতে যায়। মায়ের সেই ইচ্ছা এবং সম্মান রক্ষার্থেই তিনি এই বিশেষ ব্যবস্থা করেন। কনে মাদারীপুর জেলার রাজৈর উপজেলার মহিষমারি গ্রামের পলাশ সরকারের মেয়ে কলেজছাত্রী প্রেরণা সরকার।
শুক্রবার দুপুরে বিয়ের হেলিকপ্টারটি নারকেলবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করলে আশপাশের গ্রামের শত শত উৎসুক জনতা সেখানে ভিড় জমান। এই এলাকায় হেলিকপ্টারে চড়ে বিয়ের ঘটনা এটাই প্রথম বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। মিলনের মা ললিতা মধু ছেলের এই উদ্যোগে অত্যন্ত আনন্দিত। তিনি জানান, আগামী রবিবার মিলন তার নববধূকে নিয়ে আবারও হেলিকপ্টারে চড়েই বাড়ি ফিরবেন।
মিলনের স্বজন এবং স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য বিজয় মধু জানান, প্রবাসী ভাতিজার এমন আয়োজনে তারা সবাই গর্বিত ও আনন্দিত। পারিবারিক এই বিয়েটি এখন পুরো উপজেলার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন