যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়ে বর্তমান সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগ দেন। যোগদান পরবর্তী বক্তব্যে তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত অধিকার যদি আবারও ফ্যাসিবাদের কবলে পড়ে, তবে তারা রাজপথে নেমে বর্তমান সরকারের পতন ঘটাতে দ্বিধা করবেন না।
ইসহাক সরকার তার বক্তব্যে গণতান্ত্রিক অধিকার, কথা বলার স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি সরকার তার গণতান্ত্রিক ধারা থেকে সরে গিয়ে ফ্যাসিবাদী ভূমিকা পালন করে, তবে তাদের বিদায় করতে বেশি সময় লাগবে না। তিনি উল্লেখ করেন যে, ৩৬ জুলাইয়ের ঐতিহাসিক গণবিপ্লব অনেক রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে, তাই ১৪০০ শহীদের রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে কেউ টিকে থাকতে পারবে না।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের লড়াইয়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, বিগত ১০ বছর তিনি বিভিন্ন মেয়াদে কারাগারে কাটিয়েছেন এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে অসংখ্য সহকর্মীকে হারিয়েছেন। তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা থাকলেও তিনি কোনোদিন আপস করেননি। তিনি মনে করেন, এনসিপির মাধ্যমেই বাংলাদেশের মানুষের মুক্তি এবং প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে।
ইসহাক সরকার আরও অভিযোগ করেন যে, আগের সরকারের মতো বর্তমান শাসনামলেও অশুভ প্রভাব এবং আধিপত্যবাদ ফিরে আসার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। ওসমান হাদি হত্যার বিচার না হওয়া এবং অপরাধীদের গ্রেফতার না করায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি ঘোষণা করেন যে, কোনো বিদেশি শক্তির শাসন এ দেশের জনগণ মেনে নেবে না এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌত্ব রক্ষায় প্রয়োজনে তিনি জীবন বিসর্জন দিতেও প্রস্তুত।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ এপ্রিল ২০২৬
যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইসহাক সরকার নবগঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দিয়ে বর্তমান সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগ দেন। যোগদান পরবর্তী বক্তব্যে তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে অর্জিত অধিকার যদি আবারও ফ্যাসিবাদের কবলে পড়ে, তবে তারা রাজপথে নেমে বর্তমান সরকারের পতন ঘটাতে দ্বিধা করবেন না।
ইসহাক সরকার তার বক্তব্যে গণতান্ত্রিক অধিকার, কথা বলার স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি সরকার তার গণতান্ত্রিক ধারা থেকে সরে গিয়ে ফ্যাসিবাদী ভূমিকা পালন করে, তবে তাদের বিদায় করতে বেশি সময় লাগবে না। তিনি উল্লেখ করেন যে, ৩৬ জুলাইয়ের ঐতিহাসিক গণবিপ্লব অনেক রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে, তাই ১৪০০ শহীদের রক্তের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে কেউ টিকে থাকতে পারবে না।
নিজের রাজনৈতিক জীবনের লড়াইয়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, বিগত ১০ বছর তিনি বিভিন্ন মেয়াদে কারাগারে কাটিয়েছেন এবং ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন করতে গিয়ে অসংখ্য সহকর্মীকে হারিয়েছেন। তার ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে শতাধিক মামলা থাকলেও তিনি কোনোদিন আপস করেননি। তিনি মনে করেন, এনসিপির মাধ্যমেই বাংলাদেশের মানুষের মুক্তি এবং প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে।
ইসহাক সরকার আরও অভিযোগ করেন যে, আগের সরকারের মতো বর্তমান শাসনামলেও অশুভ প্রভাব এবং আধিপত্যবাদ ফিরে আসার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। ওসমান হাদি হত্যার বিচার না হওয়া এবং অপরাধীদের গ্রেফতার না করায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি ঘোষণা করেন যে, কোনো বিদেশি শক্তির শাসন এ দেশের জনগণ মেনে নেবে না এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌত্ব রক্ষায় প্রয়োজনে তিনি জীবন বিসর্জন দিতেও প্রস্তুত।

আপনার মতামত লিখুন