চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাস থেকে আট ফুট দীর্ঘ একটি বার্মিজ পাইথন বা অজগর উদ্ধার করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসের নীপবন শিশু বিদ্যালয়ের সামনে সাপটি দেখতে পান ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী জমাদিউল আউয়াল সুজাত। পরে তাঁর দেওয়া খবরে 'সোসাইটি ফর স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়ারনেস' (থ্রি-এসএ) সাপটি উদ্ধার করে।
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, উদ্ধার হওয়া সাপটি একটি বার্মিজ পাইথন, যা বাংলাদেশে সচরাচর দেখা যায়। রাতেই সাপটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি ও বনাঞ্চল এলাকায় অবমুক্ত করা হয়েছে। তবে সাপটির নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে অবমুক্ত করার সুনির্দিষ্ট স্থানটি প্রকাশ করা হয়নি।
প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইব্রাহীম খলিল আল হায়দার জানান, এই প্রজাতির সাপ ১৭ থেকে ১৮ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। উদ্ধার হওয়া সাপটি মূলত অপ্রাপ্তবয়স্ক বা সাব-অ্যাডাল্ট পর্যায়ের। এই সাপের কোনো বিষ নেই এবং এটি মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তবে মাঝেমধ্যে পুকুরের মাছ বা খামারের হাঁস-মুরগি খেয়ে এরা লোকালয়ে ক্ষতি করে থাকে।
উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও পার্শ্ববর্তী এলাকা জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ হওয়ায় মাঝেমধ্যেই সেখানে বন্যপ্রাণীর দেখা মেলে। এর আগে গত ১০ ও ১২ এপ্রিল একই এলাকা থেকে দুটি কিং কোবরা বা রাজগোখরা উদ্ধার করা হয়েছিল।

শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ এপ্রিল ২০২৬
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাস থেকে আট ফুট দীর্ঘ একটি বার্মিজ পাইথন বা অজগর উদ্ধার করা হয়েছে। গত শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিণ ক্যাম্পাসের নীপবন শিশু বিদ্যালয়ের সামনে সাপটি দেখতে পান ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী জমাদিউল আউয়াল সুজাত। পরে তাঁর দেওয়া খবরে 'সোসাইটি ফর স্নেক অ্যান্ড স্নেকবাইট অ্যাওয়ারনেস' (থ্রি-এসএ) সাপটি উদ্ধার করে।
সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম জানান, উদ্ধার হওয়া সাপটি একটি বার্মিজ পাইথন, যা বাংলাদেশে সচরাচর দেখা যায়। রাতেই সাপটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী পাহাড়ি ও বনাঞ্চল এলাকায় অবমুক্ত করা হয়েছে। তবে সাপটির নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে অবমুক্ত করার সুনির্দিষ্ট স্থানটি প্রকাশ করা হয়নি।
প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইব্রাহীম খলিল আল হায়দার জানান, এই প্রজাতির সাপ ১৭ থেকে ১৮ ফুট পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। উদ্ধার হওয়া সাপটি মূলত অপ্রাপ্তবয়স্ক বা সাব-অ্যাডাল্ট পর্যায়ের। এই সাপের কোনো বিষ নেই এবং এটি মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নয়। তবে মাঝেমধ্যে পুকুরের মাছ বা খামারের হাঁস-মুরগি খেয়ে এরা লোকালয়ে ক্ষতি করে থাকে।
উল্লেখ্য যে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ও পার্শ্ববর্তী এলাকা জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ হওয়ায় মাঝেমধ্যেই সেখানে বন্যপ্রাণীর দেখা মেলে। এর আগে গত ১০ ও ১২ এপ্রিল একই এলাকা থেকে দুটি কিং কোবরা বা রাজগোখরা উদ্ধার করা হয়েছিল।

আপনার মতামত লিখুন