যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ-অবরোধ ও হুমকির মুখে দেশের সাধারণ মানুষকে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। শনিবার সরকারি টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পরিকল্পিতভাবে অবরোধের মাধ্যমে জনমনে ‘অস্বস্তি’ তৈরির চেষ্টা করছে, যা মোকাবিলায় নাগরিকদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জনগণকে একটি সাধারণ অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এই মুহূর্তে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার পরিহার করা উচিত। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, বাড়িতে ১০টি বাতির বদলে মাত্র দুটি বাতি জ্বালালে কোনো বড় সমস্যা হওয়ার কথা নয়। আপাতত নাগরিকদের কোনো বড় ত্যাগ স্বীকার করতে না বললেও বিদ্যুৎ খরচের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন।
বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, গত কয়েকদিন ইরানের রাজধানী তেহরানে কোনো লোডশেডিংয়ের ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রেসিডেন্ট আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত করতে চায়। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির পর এই সতর্কতা জারি করা হলো, যেখানে ট্রাম্প শর্তহীন চুক্তিতে না এলে ইরানের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ব্রিজ ধ্বংস করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।
আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থার তথ্যমতে, ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদনের সিংহভাগ বা প্রায় ৮০ শতাংশ আসে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে। যদিও দেশটিতে গ্যাসের বিপুল মজুদ রয়েছে, তবুও শীত ও গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত চাহিদার কারণে প্রায়ই লোডশেডিংয়ের সমস্যা দেখা দেয়। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কৃত্রিম সংকট এড়াতে এই সাশ্রয়ী নীতির পথে হাঁটছে তেহরান।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত নৌ-অবরোধ ও হুমকির মুখে দেশের সাধারণ মানুষকে বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার বিশেষ আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। শনিবার সরকারি টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে তিনি বলেন, বর্তমানে দেশে বিদ্যুতের কোনো ঘাটতি নেই। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল পরিকল্পিতভাবে অবরোধের মাধ্যমে জনমনে ‘অস্বস্তি’ তৈরির চেষ্টা করছে, যা মোকাবিলায় নাগরিকদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।
প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান জনগণকে একটি সাধারণ অনুরোধ জানিয়ে বলেন, এই মুহূর্তে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার পরিহার করা উচিত। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, বাড়িতে ১০টি বাতির বদলে মাত্র দুটি বাতি জ্বালালে কোনো বড় সমস্যা হওয়ার কথা নয়। আপাতত নাগরিকদের কোনো বড় ত্যাগ স্বীকার করতে না বললেও বিদ্যুৎ খরচের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেছেন।
বার্তাসংস্থা এএফপি জানিয়েছে, গত কয়েকদিন ইরানের রাজধানী তেহরানে কোনো লোডশেডিংয়ের ঘটনা ঘটেনি। তবে প্রেসিডেন্ট আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত করতে চায়। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির পর এই সতর্কতা জারি করা হলো, যেখানে ট্রাম্প শর্তহীন চুক্তিতে না এলে ইরানের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ও ব্রিজ ধ্বংস করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন।
আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থার তথ্যমতে, ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদনের সিংহভাগ বা প্রায় ৮০ শতাংশ আসে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে। যদিও দেশটিতে গ্যাসের বিপুল মজুদ রয়েছে, তবুও শীত ও গ্রীষ্মকালে অতিরিক্ত চাহিদার কারণে প্রায়ই লোডশেডিংয়ের সমস্যা দেখা দেয়। বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে অবকাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং কৃত্রিম সংকট এড়াতে এই সাশ্রয়ী নীতির পথে হাঁটছে তেহরান।

আপনার মতামত লিখুন