গাজীপুরের টঙ্গীতে নিজ সন্তানকে নৃশংসভাবে হত্যার পর ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে এক বাবার আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে টঙ্গীর বনমালা এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
নিহত কলেজ ছাত্র সাকিব (১৮) উত্তরার একটি বেসরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাবা সোহেল (৫০) পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সাকিবের মা মারা যাওয়ার পর তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি করে সংসার চালাতেন এবং বাবাকে সহযোগিতা করতেন। তবে তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শনিবার গভীর রাতে ছেলে যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন বাবা সোহেল ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাকিবের হাতের রগ কেটে দেন। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই সাকিবের মৃত্যু হয়। ছেলেকে হত্যার পরপরই সোহেল বাড়ি থেকে বের হয়ে নিকটস্থ রেললাইনে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে নিজের জীবন শেষ করেন।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান ঘটনাটিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে এই নৃশংস ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাকাবাসীর মধ্যে এই ঘটনায় গভীর শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
গাজীপুরের টঙ্গীতে নিজ সন্তানকে নৃশংসভাবে হত্যার পর ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে এক বাবার আত্মহত্যার খবর পাওয়া গেছে। শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে টঙ্গীর বনমালা এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।
নিহত কলেজ ছাত্র সাকিব (১৮) উত্তরার একটি বেসরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাবা সোহেল (৫০) পেশায় একজন রাজমিস্ত্রি ছিলেন। স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, সাকিবের মা মারা যাওয়ার পর তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি চাকরি করে সংসার চালাতেন এবং বাবাকে সহযোগিতা করতেন। তবে তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত ছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, শনিবার গভীর রাতে ছেলে যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন বাবা সোহেল ধারালো অস্ত্র দিয়ে সাকিবের হাতের রগ কেটে দেন। এতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ঘটনাস্থলেই সাকিবের মৃত্যু হয়। ছেলেকে হত্যার পরপরই সোহেল বাড়ি থেকে বের হয়ে নিকটস্থ রেললাইনে চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে নিজের জীবন শেষ করেন।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান ঘটনাটিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে এই নৃশংস ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোনো কারণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এলাকাবাসীর মধ্যে এই ঘটনায় গভীর শোক ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন