মালিতে একযোগে চালানো ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় দেশটির প্রভাবশালী প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল সাদিও কামারা নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানী বামাকোর সন্নিকটে কাটি সামরিক শহরে তার বাসভবনে আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী এবং তুয়ারেগ বিদ্রোহীদের একটি আত্মঘাতী গাড়ি বোমা হামলায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। আল-জাজিরার বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
২০২০ ও ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের অন্যতম রূপকার জেনারেল কামারাকে দেশটির বর্তমান জান্তা সরকারের সবচেয়ে শক্তিশালী স্তম্ভ এবং ভবিষ্যৎ নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। আল-কায়েদা সমর্থিত ‘জামায়াত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিন’ এবং তুয়ারেগ বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘লিবারেশন ফ্রন্ট অব আজাওয়াদ’ অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এই হামলাটি পরিচালনা করে। হামলার সময় অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আসিনি গোইতাকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ায় তিনি অক্ষত আছেন।
কেবল রাজধানী নয়, বরং বামাকো, কাও, কিদাল এবং সেভারে শহরসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে একযোগে বন্দুকযুদ্ধ ও বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। অনেক জায়গায় ২৪ ঘণ্টা পরও ভারী গোলাবর্ষণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। এই অতর্কিত ও শক্তিশালী হামলার জন্য মালির নিরাপত্তা বাহিনী মোটেও প্রস্তুত ছিল না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
শীর্ষ মন্ত্রীর মৃত্যু এবং দেশজুড়ে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU), ওআইসি (OIC) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যুরো অব আফ্রিকান অ্যাফেয়ার্স। কামারার এই মৃত্যু মালির সশস্ত্র বাহিনীর জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি এবং দেশটির অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও গভীর সংকটে নিমজ্জিত করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
মালিতে একযোগে চালানো ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় দেশটির প্রভাবশালী প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল সাদিও কামারা নিহত হয়েছেন। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাজধানী বামাকোর সন্নিকটে কাটি সামরিক শহরে তার বাসভবনে আল-কায়েদা সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠী এবং তুয়ারেগ বিদ্রোহীদের একটি আত্মঘাতী গাড়ি বোমা হামলায় এই প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। আল-জাজিরার বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
২০২০ ও ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের অন্যতম রূপকার জেনারেল কামারাকে দেশটির বর্তমান জান্তা সরকারের সবচেয়ে শক্তিশালী স্তম্ভ এবং ভবিষ্যৎ নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হতো। আল-কায়েদা সমর্থিত ‘জামায়াত নুসরাত আল-ইসলাম ওয়াল-মুসলিমিন’ এবং তুয়ারেগ বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘লিবারেশন ফ্রন্ট অব আজাওয়াদ’ অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে এই হামলাটি পরিচালনা করে। হামলার সময় অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট আসিনি গোইতাকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ায় তিনি অক্ষত আছেন।
কেবল রাজধানী নয়, বরং বামাকো, কাও, কিদাল এবং সেভারে শহরসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটিতে একযোগে বন্দুকযুদ্ধ ও বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। অনেক জায়গায় ২৪ ঘণ্টা পরও ভারী গোলাবর্ষণের শব্দ শোনা যাচ্ছে। এই অতর্কিত ও শক্তিশালী হামলার জন্য মালির নিরাপত্তা বাহিনী মোটেও প্রস্তুত ছিল না বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
শীর্ষ মন্ত্রীর মৃত্যু এবং দেশজুড়ে এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU), ওআইসি (OIC) এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যুরো অব আফ্রিকান অ্যাফেয়ার্স। কামারার এই মৃত্যু মালির সশস্ত্র বাহিনীর জন্য একটি অপূরণীয় ক্ষতি এবং দেশটির অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও গভীর সংকটে নিমজ্জিত করবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন