মহাকাশ গবেষণায় নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছেছে পাকিস্তান। গতকাল শনিবার চীনের শানসি প্রদেশের তাইয়ুয়ান স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টার থেকে দেশটির নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট ‘পিআরএসসি-ইও৩’ সফলভাবে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। লং মার্চ-৬ রকেটের মাধ্যমে স্থানীয় সময় রাত ৮টা ১৫ মিনিটে স্যাটেলাইটটি কক্ষপথে পাঠানো হয়, যা চীনের লং মার্চ রকেট সিরিজের ৬৪০তম মিশন।
পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘সুপারকো’ কর্তৃক নির্মিত এই ইলেক্ট্রো-অপ্টিক্যাল স্যাটেলাইটটিতে অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ডাটা প্রসেসিং ইউনিট যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে মহাকাশ থেকেই রিয়েল-টাইমে তথ্য বিশ্লেষণ এবং তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হবে। উন্নত শক্তি সঞ্চয় ব্যবস্থা ও আধুনিক ইমেজিং মডিউল সমৃদ্ধ এই স্যাটেলাইটটি নিখুঁত ছবি ও তথ্য প্রদানে সক্ষম।
পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এবং পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এই স্যাটেলাইটটি দেশটির নগরায়ন, খাদ্য নিরাপত্তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ রক্ষায় বৈপ্লবিক ভূমিকা পালন করবে। মূলত এটি পাকিস্তানের আর্থ অবজারভেশন সিস্টেমের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে এবং টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নির্ভুল তথ্য দিয়ে সহায়তা করবে।
এই সাফল্যকে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে অভিহিত করে সুপারকোর বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তারা এই যাত্রায় চীনের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার পাশাপাশি প্রযুক্তিতে পাকিস্তানের আত্মনির্ভরশীল হওয়ার প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
মহাকাশ গবেষণায় নতুন এক উচ্চতায় পৌঁছেছে পাকিস্তান। গতকাল শনিবার চীনের শানসি প্রদেশের তাইয়ুয়ান স্যাটেলাইট লঞ্চ সেন্টার থেকে দেশটির নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট ‘পিআরএসসি-ইও৩’ সফলভাবে মহাকাশে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। লং মার্চ-৬ রকেটের মাধ্যমে স্থানীয় সময় রাত ৮টা ১৫ মিনিটে স্যাটেলাইটটি কক্ষপথে পাঠানো হয়, যা চীনের লং মার্চ রকেট সিরিজের ৬৪০তম মিশন।
পাকিস্তানের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ‘সুপারকো’ কর্তৃক নির্মিত এই ইলেক্ট্রো-অপ্টিক্যাল স্যাটেলাইটটিতে অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ডাটা প্রসেসিং ইউনিট যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে মহাকাশ থেকেই রিয়েল-টাইমে তথ্য বিশ্লেষণ এবং তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ সম্ভব হবে। উন্নত শক্তি সঞ্চয় ব্যবস্থা ও আধুনিক ইমেজিং মডিউল সমৃদ্ধ এই স্যাটেলাইটটি নিখুঁত ছবি ও তথ্য প্রদানে সক্ষম।
পাকিস্তানের সেনাবাহিনী এবং পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, এই স্যাটেলাইটটি দেশটির নগরায়ন, খাদ্য নিরাপত্তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ রক্ষায় বৈপ্লবিক ভূমিকা পালন করবে। মূলত এটি পাকিস্তানের আর্থ অবজারভেশন সিস্টেমের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে এবং টেকসই আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে নির্ভুল তথ্য দিয়ে সহায়তা করবে।
এই সাফল্যকে ‘ঐতিহাসিক মাইলফলক’ হিসেবে অভিহিত করে সুপারকোর বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি এবং প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তারা এই যাত্রায় চীনের দীর্ঘদিনের সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার পাশাপাশি প্রযুক্তিতে পাকিস্তানের আত্মনির্ভরশীল হওয়ার প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন