কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১১ বছর পর চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন হাফিজুর রহমান গ্রেফতার হওয়ার পর এবার ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. কামাদা প্রাসাদ সাহা দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তনুর বাবা ইয়ার হোসেনের দাবি, ওই চিকিৎসক বর্তমানে বিদেশে যাওয়ার জন্য এনওসি (NOC) সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
২০১৬ সালে তনুর লাশ উদ্ধারের পর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান হিসেবে ডা. কামাদা প্রাসাদ সাহা ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেছিলেন। তনুর শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকা সত্ত্বেও প্রথম প্রতিবেদনে তিনি মৃত্যুর কারণ খুঁজে পাননি বলে উল্লেখ করেন এবং দ্বিতীয় ময়নাতদন্তেও হত্যার বিষয়টি এড়িয়ে যান। ভিকটিম পরিবারের অভিযোগ, খুনিদের বাঁচাতে তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফরেনসিক রিপোর্টে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছিলেন এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য ধামাচাপা দিতে আঁতাত করেছিলেন।
বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজের ট্রেজারার হিসেবে কর্মরত ডা. কামাদা প্রাসাদ সাহা আমেরিকায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলে জানা গেছে। তনুর বাবা ইয়ার হোসেন অবিলম্বে তার এনওসি স্থগিত করার এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি এ বিষয়ে দ্রুতই আদালতে আবেদন করার কথা ব্যক্ত করেছেন।
পিবিআই-এর তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সাথে যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তাদের প্রত্যেককেই আইনের আওতায় আনা হবে। তবে বর্তমানে মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. কামাদা প্রাসাদ সাহার কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১১ বছর পর চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন হাফিজুর রহমান গ্রেফতার হওয়ার পর এবার ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. কামাদা প্রাসাদ সাহা দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তনুর বাবা ইয়ার হোসেনের দাবি, ওই চিকিৎসক বর্তমানে বিদেশে যাওয়ার জন্য এনওসি (NOC) সংগ্রহের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
২০১৬ সালে তনুর লাশ উদ্ধারের পর কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান হিসেবে ডা. কামাদা প্রাসাদ সাহা ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেছিলেন। তনুর শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকা সত্ত্বেও প্রথম প্রতিবেদনে তিনি মৃত্যুর কারণ খুঁজে পাননি বলে উল্লেখ করেন এবং দ্বিতীয় ময়নাতদন্তেও হত্যার বিষয়টি এড়িয়ে যান। ভিকটিম পরিবারের অভিযোগ, খুনিদের বাঁচাতে তিনি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফরেনসিক রিপোর্টে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়েছিলেন এবং হত্যাকাণ্ডের রহস্য ধামাচাপা দিতে আঁতাত করেছিলেন।
বর্তমানে খুলনা মেডিকেল কলেজের ট্রেজারার হিসেবে কর্মরত ডা. কামাদা প্রাসাদ সাহা আমেরিকায় রাজনৈতিক আশ্রয় চাওয়ার পরিকল্পনা করছেন বলে জানা গেছে। তনুর বাবা ইয়ার হোসেন অবিলম্বে তার এনওসি স্থগিত করার এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি এ বিষয়ে দ্রুতই আদালতে আবেদন করার কথা ব্যক্ত করেছেন।
পিবিআই-এর তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের সাথে যাদের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যাবে, তাদের প্রত্যেককেই আইনের আওতায় আনা হবে। তবে বর্তমানে মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. কামাদা প্রাসাদ সাহার কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

আপনার মতামত লিখুন