নাটোর শহরের মল্লিকহাটি ঘোষপাড়া এলাকায় বাকপ্রতিবন্ধী ছেলের শিলের আঘাতে মা শাহীদা বেগম (৬০) নিহত হয়েছেন। রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ রাতেই অভিযুক্ত ছেলে আরিফ হোসেনকে আটক করেছে। নিহত শাহীদা বেগম ওই এলাকার প্রয়াত শরিফুল হুদা স্টারের স্ত্রী ছিলেন।
নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আরিফ প্রায়ই তার মায়ের সঙ্গে উত্তেজিত আচরণ ও মারপিট করতেন। এ কারণে তার মামারা প্রায়ই তাকে বাড়িতে বেঁধে রাখতেন। ঘটনার দিনও আরিফ শিকলবন্দি অবস্থায় ছিলেন। কিন্তু ছেলের কষ্ট সহ্য করতে না পেরে মা শাহীদা বেগম তার বাঁধন খুলে দেন। মুক্তি পাওয়ার পরই কেন তাকে বেঁধে রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে মায়ের সঙ্গে আরিফের তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে আরিফ ক্ষিপ্ত হয়ে ঘরে থাকা শিলপাটার পাথরের শিল দিয়ে মায়ের মাথায় সজোরে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই শাহীদা বেগমের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে নাটোর সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নাটোর সদর থানার ওসি মনসুর রহমান জানিয়েছেন, অভিযুক্ত বাকপ্রতিবন্ধী আরিফ হোসেন বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
নাটোর শহরের মল্লিকহাটি ঘোষপাড়া এলাকায় বাকপ্রতিবন্ধী ছেলের শিলের আঘাতে মা শাহীদা বেগম (৬০) নিহত হয়েছেন। রোববার রাত সাড়ে ১১টার দিকে এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ রাতেই অভিযুক্ত ছেলে আরিফ হোসেনকে আটক করেছে। নিহত শাহীদা বেগম ওই এলাকার প্রয়াত শরিফুল হুদা স্টারের স্ত্রী ছিলেন।
নিহতের স্বজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আরিফ প্রায়ই তার মায়ের সঙ্গে উত্তেজিত আচরণ ও মারপিট করতেন। এ কারণে তার মামারা প্রায়ই তাকে বাড়িতে বেঁধে রাখতেন। ঘটনার দিনও আরিফ শিকলবন্দি অবস্থায় ছিলেন। কিন্তু ছেলের কষ্ট সহ্য করতে না পেরে মা শাহীদা বেগম তার বাঁধন খুলে দেন। মুক্তি পাওয়ার পরই কেন তাকে বেঁধে রাখা হয়েছিল, তা নিয়ে মায়ের সঙ্গে আরিফের তীব্র বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।
কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে আরিফ ক্ষিপ্ত হয়ে ঘরে থাকা শিলপাটার পাথরের শিল দিয়ে মায়ের মাথায় সজোরে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই শাহীদা বেগমের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে নাটোর সদর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি উদ্ধার করে এবং ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
নাটোর সদর থানার ওসি মনসুর রহমান জানিয়েছেন, অভিযুক্ত বাকপ্রতিবন্ধী আরিফ হোসেন বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন। এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন