সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে গাছ ভেঙে ঘরচাপায় সীমা খাতুন (৪৫) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার সন্ধ্যা এবং রাত ১টার দিকে দুই দফায় বয়ে যাওয়া এই ঝড় ও প্রবল শিলাবৃষ্টিতে উল্লাপাড়া উপজেলাসহ আশপাশের এলাকায় জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নিহত সীমা খাতুন উপজেলার বালসাবাড়ী গ্রামের হবিবর রহমানের স্ত্রী ছিলেন বলে স্থানীয় ইউপি সদস্য নিশ্চিত করেছেন।
ঝড়ের তীব্রতায় বহু গাছপালা উপড়ে পড়েছে এবং সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতাধীন সোনতলা, সলঙ্গা ও দুর্গানগরসহ বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১৫টি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে গেছে। গাছ পড়ে তার ছিঁড়ে যাওয়ায় পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সোমবার সকাল থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে অন্তত ২০টি কারিগরি দল মাঠে কাজ শুরু করেছে এবং পর্যায়ক্রমে সরবরাহ সচল করার চেষ্টা চলছে।
প্রবল শিলাবৃষ্টির কারণে নাবি ইরি ধানের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছে উপজেলা কৃষি অফিস। বিশেষ করে যেসব ধানে থোর এসেছে, সেগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে যেসব ধান ৮০ শতাংশ পেকে গেছে, তা দ্রুত কেটে ফেলার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কৃষি বিভাগ ইতোমধ্যে সলঙ্গা এলাকায় ৯টি হারভেস্টার নামিয়েছে এবং আরও ১৪টি নামানোর প্রস্তুতি চলছে।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে গাছ ভেঙে ঘরচাপায় সীমা খাতুন (৪৫) নামে এক গৃহবধূর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। রোববার সন্ধ্যা এবং রাত ১টার দিকে দুই দফায় বয়ে যাওয়া এই ঝড় ও প্রবল শিলাবৃষ্টিতে উল্লাপাড়া উপজেলাসহ আশপাশের এলাকায় জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নিহত সীমা খাতুন উপজেলার বালসাবাড়ী গ্রামের হবিবর রহমানের স্ত্রী ছিলেন বলে স্থানীয় ইউপি সদস্য নিশ্চিত করেছেন।
ঝড়ের তীব্রতায় বহু গাছপালা উপড়ে পড়েছে এবং সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতাধীন সোনতলা, সলঙ্গা ও দুর্গানগরসহ বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১৫টি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে গেছে। গাছ পড়ে তার ছিঁড়ে যাওয়ায় পুরো এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সোমবার সকাল থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে অন্তত ২০টি কারিগরি দল মাঠে কাজ শুরু করেছে এবং পর্যায়ক্রমে সরবরাহ সচল করার চেষ্টা চলছে।
প্রবল শিলাবৃষ্টির কারণে নাবি ইরি ধানের ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছে উপজেলা কৃষি অফিস। বিশেষ করে যেসব ধানে থোর এসেছে, সেগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সম্ভাব্য ক্ষতি এড়াতে যেসব ধান ৮০ শতাংশ পেকে গেছে, তা দ্রুত কেটে ফেলার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। কৃষি বিভাগ ইতোমধ্যে সলঙ্গা এলাকায় ৯টি হারভেস্টার নামিয়েছে এবং আরও ১৪টি নামানোর প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন