ময়মনসিংহের ফুলপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০১৪ সালে সংঘটিত কৃষক আশ্রাব আলী হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—নূর হোসেন, উজ্জ্বল মিয়া এবং শহিদুল। রায়ে তাদের প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে জমিজমা নিয়ে আশ্রাব আলীর সঙ্গে আসামিদের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। ২০১৪ সালের ১৮ জানুয়ারি সকালে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আশ্রাব আলীর ওপর হামলা চালায় এবং তাকে হত্যা করে। এই ঘটনায় নিহতের ছেলে জুলহাস উদ্দিন বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে ফুলপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।
আদালত এই মামলায় ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তিন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। তারা হলেন—সোহরাব আলী, স্বরূপা খাতুন এবং রেহেনা খাতুন। যাবজ্জীবনপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আকরাম হোসেন রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট এএইচএম খালেকুজ্জামান। দীর্ঘ ১২ বছর পর এই রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
ময়মনসিংহের ফুলপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ২০১৪ সালে সংঘটিত কৃষক আশ্রাব আলী হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার দুপুরে ময়মনসিংহের বিশেষ দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফারহানা ফেরদৌস এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—নূর হোসেন, উজ্জ্বল মিয়া এবং শহিদুল। রায়ে তাদের প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও করা হয়েছে।
মামলার বিবরণে জানা যায়, প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে জমিজমা নিয়ে আশ্রাব আলীর সঙ্গে আসামিদের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। ২০১৪ সালের ১৮ জানুয়ারি সকালে আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আশ্রাব আলীর ওপর হামলা চালায় এবং তাকে হত্যা করে। এই ঘটনায় নিহতের ছেলে জুলহাস উদ্দিন বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে ফুলপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন।
আদালত এই মামলায় ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ এবং দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে তিন আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেন। তারা হলেন—সোহরাব আলী, স্বরূপা খাতুন এবং রেহেনা খাতুন। যাবজ্জীবনপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আকরাম হোসেন রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট এএইচএম খালেকুজ্জামান। দীর্ঘ ১২ বছর পর এই রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন