দীর্ঘ ১৯ বছর পর কোনো ব্রিটিশ রাজের প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফরের অংশ হিসেবে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ওয়াশিংটন পৌঁছেছেন রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানি ক্যামিলা। সোমবার স্থানীয় সময় তাদের বহনকারী রাজকীয় উড়োজাহাজটি অ্যান্ড্রু সামরিক ঘাঁটিতে অবতরণ করলে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত স্যার ক্রিস্টিয়ান টার্নার এবং হোয়াইট হাউসের প্রটোকল প্রধান মনিকা ক্রাউলি তাদের স্বাগত জানান।
অ্যান্ড্রু সামরিক ঘাঁটিতে রাজা ও রানিকে লালগালিচা সংবর্ধনা এবং গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় সামরিক ব্যান্ড দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে এবং শিশুরা ফুল দিয়ে রাজ দম্পতিকে বরণ করে নেয়।
সফরের শুরুতে হোয়াইট হাউসে রাজা-রানিকে স্বাগত জানান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। সেখানে তারা প্রথমে একটি ব্যক্তিগত চা চক্রে মিলিত হন এবং পরবর্তীতে একটি গার্ডেন পার্টিতে অংশ নেন।
২০০৭ সালে প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সফরের পর এটিই কোনো ব্রিটিশ রাজের প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর। ইরান যুদ্ধ নিয়ে সৃষ্ট রাজনৈতিক দূরত্ব এবং প্রিন্স অ্যান্ড্রুর বিভিন্ন কেলেঙ্কারির প্রেক্ষাপটে এই সফরকে বিশেষ গুরুত্বের সাথে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই ঐতিহাসিক মিত্র দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
দীর্ঘ ১৯ বছর পর কোনো ব্রিটিশ রাজের প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফরের অংশ হিসেবে চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ওয়াশিংটন পৌঁছেছেন রাজা তৃতীয় চার্লস ও রানি ক্যামিলা। সোমবার স্থানীয় সময় তাদের বহনকারী রাজকীয় উড়োজাহাজটি অ্যান্ড্রু সামরিক ঘাঁটিতে অবতরণ করলে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত স্যার ক্রিস্টিয়ান টার্নার এবং হোয়াইট হাউসের প্রটোকল প্রধান মনিকা ক্রাউলি তাদের স্বাগত জানান।
অ্যান্ড্রু সামরিক ঘাঁটিতে রাজা ও রানিকে লালগালিচা সংবর্ধনা এবং গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। এ সময় সামরিক ব্যান্ড দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করে এবং শিশুরা ফুল দিয়ে রাজ দম্পতিকে বরণ করে নেয়।
সফরের শুরুতে হোয়াইট হাউসে রাজা-রানিকে স্বাগত জানান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। সেখানে তারা প্রথমে একটি ব্যক্তিগত চা চক্রে মিলিত হন এবং পরবর্তীতে একটি গার্ডেন পার্টিতে অংশ নেন।
২০০৭ সালে প্রয়াত রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের সফরের পর এটিই কোনো ব্রিটিশ রাজের প্রথম যুক্তরাষ্ট্র সফর। ইরান যুদ্ধ নিয়ে সৃষ্ট রাজনৈতিক দূরত্ব এবং প্রিন্স অ্যান্ড্রুর বিভিন্ন কেলেঙ্কারির প্রেক্ষাপটে এই সফরকে বিশেষ গুরুত্বের সাথে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। এই সফরের মধ্য দিয়ে দুই ঐতিহাসিক মিত্র দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন