পাঞ্জাব পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি (পিপিডিসি)-তে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মেয়ে রাবিয়া ইমরান এবং জামাতা ইমরান ইউসুফকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন লাহোরের একটি বিশেষ আদালত। মঙ্গলবার বিশেষ কেন্দ্রীয় আদালতের বিচারক আশফাক আহমেদ আগামী ৭ মে পর্যন্ত তাদের এই জামিন মঞ্জুর করেন। আদালত একইসঙ্গে ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সিকে (এফআইএ) নির্দেশ দিয়েছেন, যেন উক্ত তারিখ পর্যন্ত তাদের গ্রেফতার না করা হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, পিপিডিসিতে দুর্নীতির অভিযোগে প্রাথমিকভাবে ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরো (ন্যাব) এই দম্পতির বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেছিল। দীর্ঘদিন আদালতে অনুপস্থিত থাকায় এর আগে তাদের ‘ঘোষিত অপরাধী’ বা পলাতক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি ‘ন্যাব’ আইনে সংশোধনী আনার পর মামলাটি এফআইএ আদালতে স্থানান্তরিত হয়। মঙ্গলবার রাবিয়া ইমরান ও ইমরান ইউসুফ সশরীরে আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের আবেদন জানান।
অভিযোগ রয়েছে, ইমরান ইউসুফ পিপিডিসির সাবেক সিইও-র কাছ থেকে ১ কোটি ২০ লাখ রুপি ঘুস নিয়েছিলেন এবং জনৈক ইকরাম নাভিদকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছিলেন। উল্লেখ্য, একই মামলায় অভিযুক্ত ইকরাম নাভিদ ইতিমধ্যে ‘প্লি বার্গেইন’ বা দোষ স্বীকার করে সাজার বিনিময়ে সমঝোতা করেছেন।
২০১৮ সালের ৭ আগস্ট থেকে ইমরান ইউসুফ আদালতের নির্দেশে পলাতক ঘোষিত অপরাধী হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিলেন। বর্তমান আদালতের এই আদেশের ফলে দীর্ঘ সময় পর তারা আইনি প্রক্রিয়ায় সশরীরে অংশগ্রহণের সুযোগ পেলেন। আগামী ৭ মে মামলাটির পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
পাঞ্জাব পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি (পিপিডিসি)-তে দুর্নীতির অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মেয়ে রাবিয়া ইমরান এবং জামাতা ইমরান ইউসুফকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দিয়েছেন লাহোরের একটি বিশেষ আদালত। মঙ্গলবার বিশেষ কেন্দ্রীয় আদালতের বিচারক আশফাক আহমেদ আগামী ৭ মে পর্যন্ত তাদের এই জামিন মঞ্জুর করেন। আদালত একইসঙ্গে ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সিকে (এফআইএ) নির্দেশ দিয়েছেন, যেন উক্ত তারিখ পর্যন্ত তাদের গ্রেফতার না করা হয়।
মামলার বিবরণে জানা যায়, পিপিডিসিতে দুর্নীতির অভিযোগে প্রাথমিকভাবে ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টেবিলিটি ব্যুরো (ন্যাব) এই দম্পতির বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেছিল। দীর্ঘদিন আদালতে অনুপস্থিত থাকায় এর আগে তাদের ‘ঘোষিত অপরাধী’ বা পলাতক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তবে সম্প্রতি ‘ন্যাব’ আইনে সংশোধনী আনার পর মামলাটি এফআইএ আদালতে স্থানান্তরিত হয়। মঙ্গলবার রাবিয়া ইমরান ও ইমরান ইউসুফ সশরীরে আদালতে উপস্থিত হয়ে জামিনের আবেদন জানান।
অভিযোগ রয়েছে, ইমরান ইউসুফ পিপিডিসির সাবেক সিইও-র কাছ থেকে ১ কোটি ২০ লাখ রুপি ঘুস নিয়েছিলেন এবং জনৈক ইকরাম নাভিদকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছিলেন। উল্লেখ্য, একই মামলায় অভিযুক্ত ইকরাম নাভিদ ইতিমধ্যে ‘প্লি বার্গেইন’ বা দোষ স্বীকার করে সাজার বিনিময়ে সমঝোতা করেছেন।
২০১৮ সালের ৭ আগস্ট থেকে ইমরান ইউসুফ আদালতের নির্দেশে পলাতক ঘোষিত অপরাধী হিসেবে তালিকাভুক্ত ছিলেন। বর্তমান আদালতের এই আদেশের ফলে দীর্ঘ সময় পর তারা আইনি প্রক্রিয়ায় সশরীরে অংশগ্রহণের সুযোগ পেলেন। আগামী ৭ মে মামলাটির পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন