ইরানে স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহার করে ‘সংবেদনশীল তথ্য’ বিদেশে পাচারের অভিযোগে বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে দেশটির পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আল জাজিরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ এই ঘটনাকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুতর হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেছে।
তেহরান মেট্রোপলিটন পুলিশের তথ্যকেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানীর ইউসুফাবাদ এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তারা ওই বাসাকে কেন্দ্র করে ‘গুপ্তচরবৃত্তির’ কার্যক্রম পরিচালনা করছিল এবং স্টারলিংক ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা ও শত্রু নেটওয়ার্কের কাছে স্পর্শকাতর তথ্য ও ছবি পাঠাচ্ছিল।
একই দিনে পৃথক আরেকটি অভিযানে সিরাজ শহরের সারভেস্তান এলাকা থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, ওই ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থাপনার ভিডিও এবং ছবি ধারণ করে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাকে সহযোগিতা করছিলেন। তার কাছেও স্টারলিংক ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইরানে স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা সরকারিভাবে অনুমোদিত নয়। তবে বিভিন্ন সময় বিক্ষোভ বা ইন্টারনেটে কড়াকড়ির সময় দেশটিতে অবৈধভাবে স্টারলিংক টার্মিনাল ব্যবহারের খবর পাওয়া গেছে। ইরান সরকার জানিয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে তথ্য পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
ইরানে স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবহার করে ‘সংবেদনশীল তথ্য’ বিদেশে পাচারের অভিযোগে বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে আটক করেছে দেশটির পুলিশ। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে আল জাজিরা এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ এই ঘটনাকে জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুতর হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেছে।
তেহরান মেট্রোপলিটন পুলিশের তথ্যকেন্দ্র থেকে জানানো হয়েছে, রাজধানীর ইউসুফাবাদ এলাকার একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে আটক করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তারা ওই বাসাকে কেন্দ্র করে ‘গুপ্তচরবৃত্তির’ কার্যক্রম পরিচালনা করছিল এবং স্টারলিংক ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা ও শত্রু নেটওয়ার্কের কাছে স্পর্শকাতর তথ্য ও ছবি পাঠাচ্ছিল।
একই দিনে পৃথক আরেকটি অভিযানে সিরাজ শহরের সারভেস্তান এলাকা থেকে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, ওই ব্যক্তি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থাপনার ভিডিও এবং ছবি ধারণ করে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাকে সহযোগিতা করছিলেন। তার কাছেও স্টারলিংক ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, ইরানে স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা সরকারিভাবে অনুমোদিত নয়। তবে বিভিন্ন সময় বিক্ষোভ বা ইন্টারনেটে কড়াকড়ির সময় দেশটিতে অবৈধভাবে স্টারলিংক টার্মিনাল ব্যবহারের খবর পাওয়া গেছে। ইরান সরকার জানিয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে তথ্য পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন