ইরানের অবরোধের মুখে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ৯৫ শতাংশেরও বেশি কমে গেছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে আগের তুলনায় ৫ শতাংশেরও কম জাহাজ পার হতে পারছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই অচলাবস্থার কারণে বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক নিউইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, অবরোধের ফলে জাহাজ চলাচল ৯৫ দশমিক ৩ শতাংশ কমে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে খাদ্যপণ্যের দাম ৬ শতাংশ এবং ইউরোপে অপরিশোধিত তেলের দাম ৫৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। উল্লেখ্য যে, বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়েই পরিবাহিত হয়। ফলে এই পথে সরবরাহ ব্যাহত হওয়া বিশ্ব অর্থনীতির জন্য এক বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
বর্তমানে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক মহলে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানি বন্দরগুলোর ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করেছেন এবং পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে তেহরানও তাদের অনুমতি ছাড়া জাহাজ চলাচলে বাধা ও হয়রানি চালিয়ে যাচ্ছে। এই দ্বিমুখী সংকটে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে এবং জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের অবরোধের মুখে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল ৯৫ শতাংশেরও বেশি কমে গেছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে আগের তুলনায় ৫ শতাংশেরও কম জাহাজ পার হতে পারছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই অচলাবস্থার কারণে বিশ্ব অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
জাতিসংঘের মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক নিউইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, অবরোধের ফলে জাহাজ চলাচল ৯৫ দশমিক ৩ শতাংশ কমে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে খাদ্যপণ্যের দাম ৬ শতাংশ এবং ইউরোপে অপরিশোধিত তেলের দাম ৫৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। উল্লেখ্য যে, বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়েই পরিবাহিত হয়। ফলে এই পথে সরবরাহ ব্যাহত হওয়া বিশ্ব অর্থনীতির জন্য এক বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা দিয়েছে।
বর্তমানে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও স্থায়ী সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক মহলে কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানি বন্দরগুলোর ওপর কঠোর অবরোধ আরোপ করেছেন এবং পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে তেহরানও তাদের অনুমতি ছাড়া জাহাজ চলাচলে বাধা ও হয়রানি চালিয়ে যাচ্ছে। এই দ্বিমুখী সংকটে বিশ্বজুড়ে সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে এবং জ্বালানি ও নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন