যুক্তরাজ্যের উত্তর লন্ডনের গোল্ডার্স গ্রিন এলাকায় দুই ইহুদি ধর্মাবলম্বী ব্যক্তির ওপর ভয়াবহ ছুরি হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুরে জনবহুল সড়কে এক ব্যক্তি ছুরি নিয়ে হামলা চালালে তারা গুরুতর আহত হন। স্থানীয় ইহুদি নিরাপত্তা সংস্থা ‘শমরিম’ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সন্দেহভাজন হামলাকারীকে আটকে ফেলে এবং পরবর্তীতে পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে।
লন্ডনের মেয়র সাদিক খান এই গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং বর্তমানে ওই এলাকায় সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনসহ নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার এই ঘটনাকে ‘গভীর উদ্বেগজনক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি পার্লামেন্টে দেওয়া এক বক্তব্যে জানান যে, এ ধরনের অপরাধ দমনে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। স্থানীয় এমপি সারাহ স্যাকম্যান এই হামলাকে ‘অসহনীয়’ বলে বর্ণনা করেছেন এবং একে ব্রিটিশ মূল্যবোধের ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন।
আহতদের বর্তমানে ‘হাতজোলা’ নামক একটি ইহুদি জরুরি সেবা সংস্থা চিকিৎসা দিচ্ছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাদের অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক। উল্লেখ্য যে, গত মাসেও এই একই এলাকায় ইহুদিদের অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে লন্ডনে ইহুদি সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে বিদ্বেষমূলক হামলা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মেট্রোপলিটন পুলিশ ইহুদি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে টহল বাড়িয়েছে।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাজ্যের উত্তর লন্ডনের গোল্ডার্স গ্রিন এলাকায় দুই ইহুদি ধর্মাবলম্বী ব্যক্তির ওপর ভয়াবহ ছুরি হামলার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার দুপুরে জনবহুল সড়কে এক ব্যক্তি ছুরি নিয়ে হামলা চালালে তারা গুরুতর আহত হন। স্থানীয় ইহুদি নিরাপত্তা সংস্থা ‘শমরিম’ দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে সন্দেহভাজন হামলাকারীকে আটকে ফেলে এবং পরবর্তীতে পুলিশ এসে তাকে গ্রেফতার করে।
লন্ডনের মেয়র সাদিক খান এই গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং বর্তমানে ওই এলাকায় সশস্ত্র পুলিশ মোতায়েনসহ নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ার স্টারমার এই ঘটনাকে ‘গভীর উদ্বেগজনক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি পার্লামেন্টে দেওয়া এক বক্তব্যে জানান যে, এ ধরনের অপরাধ দমনে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। স্থানীয় এমপি সারাহ স্যাকম্যান এই হামলাকে ‘অসহনীয়’ বলে বর্ণনা করেছেন এবং একে ব্রিটিশ মূল্যবোধের ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন।
আহতদের বর্তমানে ‘হাতজোলা’ নামক একটি ইহুদি জরুরি সেবা সংস্থা চিকিৎসা দিচ্ছে। বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, তাদের অবস্থা বর্তমানে আশঙ্কাজনক। উল্লেখ্য যে, গত মাসেও এই একই এলাকায় ইহুদিদের অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। সাম্প্রতিক সময়ে লন্ডনে ইহুদি সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে বিদ্বেষমূলক হামলা বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মেট্রোপলিটন পুলিশ ইহুদি অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে টহল বাড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন