যথাযথ সময়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র বা 'ম্যাটেরিয়ালস' সরবরাহ না করার অভিযোগ তুলে সংসদে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাসের প্রক্রিয়া স্থগিত করার দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৫তম দিনে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন।
এদিন সকালে 'বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন (সংশোধন) ২০২৬' এবং 'বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) বিল ২০২৬' পাসের জন্য উত্থাপন করা হলে ডা. শফিকুর রহমান পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "আমরা তিন দিন আগে চেয়েও নথিপত্র পাইনি, এমনকি এক দিন আগেও দেওয়া হয়নি। মাত্র এখন ডেস্কে এসে এগুলো পেয়েছি। এই অবস্থায় বিল দুটি নিয়ে আলোচনা করা সম্ভব নয়, তাই এগুলো স্থগিত করুন।"
বিরোধী দলীয় নেতা স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, "আমাদের অধিকার খর্ব করবেন না। আমাদের অধিকার আপনার মাধ্যমে সংরক্ষিত হোক।" নতুন সংসদ সদস্যদের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, "আমরা অনেকেই এখানে নতুন এবং সংসদীয় বিধিগুলো শিখছি। বিধি অনুযায়ী সংসদ চালানোয় আমরা সহযোগিতা করতে চাই, কিন্তু বিধি অনুযায়ী নথিপত্র সময়মতো পাওয়া আমাদের অধিকার।"
বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বিলটির ক্ষেত্রে কোনো সময়ের বাধ্যবাধকতা নেই উল্লেখ করে তিনি এটি পরবর্তী অধিবেশনে উত্থাপনের প্রস্তাব দেন। তবে অধিবেশনে দায়িত্বরত ডেপুটি স্পিকার জানান, সংসদীয় বিধি ৮০ অনুযায়ী বিলটি গত পরশু এবং রিপোর্ট গতকাল সরবরাহ করা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে নথিপত্র সময়মতো না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে জোরালো আপত্তি জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
যথাযথ সময়ে প্রয়োজনীয় নথিপত্র বা 'ম্যাটেরিয়ালস' সরবরাহ না করার অভিযোগ তুলে সংসদে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাসের প্রক্রিয়া স্থগিত করার দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৫তম দিনে তিনি এই দাবি উত্থাপন করেন।
এদিন সকালে 'বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন (সংশোধন) ২০২৬' এবং 'বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (সংশোধন) বিল ২০২৬' পাসের জন্য উত্থাপন করা হলে ডা. শফিকুর রহমান পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, "আমরা তিন দিন আগে চেয়েও নথিপত্র পাইনি, এমনকি এক দিন আগেও দেওয়া হয়নি। মাত্র এখন ডেস্কে এসে এগুলো পেয়েছি। এই অবস্থায় বিল দুটি নিয়ে আলোচনা করা সম্ভব নয়, তাই এগুলো স্থগিত করুন।"
বিরোধী দলীয় নেতা স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, "আমাদের অধিকার খর্ব করবেন না। আমাদের অধিকার আপনার মাধ্যমে সংরক্ষিত হোক।" নতুন সংসদ সদস্যদের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, "আমরা অনেকেই এখানে নতুন এবং সংসদীয় বিধিগুলো শিখছি। বিধি অনুযায়ী সংসদ চালানোয় আমরা সহযোগিতা করতে চাই, কিন্তু বিধি অনুযায়ী নথিপত্র সময়মতো পাওয়া আমাদের অধিকার।"
বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ বিলটির ক্ষেত্রে কোনো সময়ের বাধ্যবাধকতা নেই উল্লেখ করে তিনি এটি পরবর্তী অধিবেশনে উত্থাপনের প্রস্তাব দেন। তবে অধিবেশনে দায়িত্বরত ডেপুটি স্পিকার জানান, সংসদীয় বিধি ৮০ অনুযায়ী বিলটি গত পরশু এবং রিপোর্ট গতকাল সরবরাহ করা হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে নথিপত্র সময়মতো না পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সংসদে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে জোরালো আপত্তি জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন