ভোটগ্রহণ শেষে গণনার অপেক্ষায় থাকা পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এবার স্ট্রংরুম এবং ইভিএমের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে রাখা স্ট্রংরুমে প্রায় চার ঘণ্টা অবস্থান করার পর তিনি ইভিএম কারচুপির অভিযোগ খতিয়ে দেখার কথা জানান।
গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ইভিএম ম্যানিপুলেশনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেয়েই তিনি নিজে পরিস্থিতি দেখতে এসেছেন। প্রবেশের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী তাকে বাধা দিলেও পরে প্রার্থী হিসেবে তার প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হয়। এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা ও বাইরের চাপের ইঙ্গিত দিয়ে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে স্ট্রংরুমের বাইরে তৃণমূল ও বিরোধী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে। তৃণমূলের লোগো লাগানো একটি গাড়িকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ শুরু হলে স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বিক্ষোভকারীরা বহিরাগত এবং তিনি নিজে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে চান না বলেই সমর্থকদের সেখানে জড়ো করেননি।
একই সময়ে উত্তর কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রেও ইভিএমের নিরাপত্তা নিয়ে অভিযোগ তুলে তৃণমূল প্রার্থীরা ধরনায় বসেন। সেখানে বহিরাগতদের প্রবেশের অভিযোগ উঠলে বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে নির্বাচন কমিশন সব অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে জানিয়েছে, ইভিএম ও পোস্টাল ব্যালট নিয়ে কোনো কারচুপি হয়নি এবং সবকিছু নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়েছে। এই টানাপোড়েন গণনার আগে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও তপ্ত করে তুলেছে।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
ভোটগ্রহণ শেষে গণনার অপেক্ষায় থাকা পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এবার স্ট্রংরুম এবং ইভিএমের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে রাখা স্ট্রংরুমে প্রায় চার ঘণ্টা অবস্থান করার পর তিনি ইভিএম কারচুপির অভিযোগ খতিয়ে দেখার কথা জানান।
গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ইভিএম ম্যানিপুলেশনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেয়েই তিনি নিজে পরিস্থিতি দেখতে এসেছেন। প্রবেশের সময় কেন্দ্রীয় বাহিনী তাকে বাধা দিলেও পরে প্রার্থী হিসেবে তার প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হয়। এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি রাজ্য পুলিশের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা ও বাইরের চাপের ইঙ্গিত দিয়ে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছেন তিনি।
মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে স্ট্রংরুমের বাইরে তৃণমূল ও বিরোধী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে। তৃণমূলের লোগো লাগানো একটি গাড়িকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ শুরু হলে স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, বিক্ষোভকারীরা বহিরাগত এবং তিনি নিজে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে চান না বলেই সমর্থকদের সেখানে জড়ো করেননি।
একই সময়ে উত্তর কলকাতার ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রেও ইভিএমের নিরাপত্তা নিয়ে অভিযোগ তুলে তৃণমূল প্রার্থীরা ধরনায় বসেন। সেখানে বহিরাগতদের প্রবেশের অভিযোগ উঠলে বিজেপি ও তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘাতময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে নির্বাচন কমিশন সব অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে জানিয়েছে, ইভিএম ও পোস্টাল ব্যালট নিয়ে কোনো কারচুপি হয়নি এবং সবকিছু নিয়ম মেনেই সম্পন্ন হয়েছে। এই টানাপোড়েন গণনার আগে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশকে আরও তপ্ত করে তুলেছে।

আপনার মতামত লিখুন