জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে ক্রমবর্ধমান সংকট বিশ্ব অর্থনীতিকে বড় ধরনের মন্দার দিকে ঠেলে দিতে পারে। গত বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতি বর্তমানে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এই 'চোকপয়েন্ট' দিয়ে তেল, গ্যাস ও সার সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় কোটি কোটি মানুষ দারিদ্র্য ও ক্ষুধার মুখে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
গুতেরেস জানান, এখনই যদি সব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়, তবুও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হতে আরও কয়েক মাস সময় লাগবে। এর ফলে উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি ক্রমাগত বাড়তে থাকবে। মহাসচিবের মতে, এমনকি তুলনামূলক ভালো পরিস্থিতিতেও বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩.১ শতাংশে নেমে আসতে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতি ৪.৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
পরিস্থিতি আরও দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব হবে ভয়াবহ। গুতেরেস সতর্ক করেন যে, সংঘাত ও অবরোধ মধ্যবছর পর্যন্ত চললে নতুন করে ৩ কোটি ২০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যে পড়বে এবং সাড়ে ৪ কোটি মানুষ চরম খাদ্যসংকটে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবে। সারের সংকট ও ফসল উৎপাদন কমে যাওয়ায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর অগ্রগতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে, বছরের শেষ পর্যন্ত এই বিঘ্ন অব্যাহত থাকলে বিশ্ব অর্থনীতি সরাসরি মন্দার কবলে পড়বে। জাতিসংঘ মহাসচিব জোর দিয়ে বলেন, নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা অবিলম্বে পুনরুদ্ধার করতে হবে। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিশ্ব অর্থনীতিকে স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে দিতে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ অবিলম্বে সব জাহাজের জন্য খুলে দেওয়া জরুরি।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস সতর্ক করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে ক্রমবর্ধমান সংকট বিশ্ব অর্থনীতিকে বড় ধরনের মন্দার দিকে ঠেলে দিতে পারে। গত বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতি বর্তমানে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। গুরুত্বপূর্ণ এই 'চোকপয়েন্ট' দিয়ে তেল, গ্যাস ও সার সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় কোটি কোটি মানুষ দারিদ্র্য ও ক্ষুধার মুখে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।
গুতেরেস জানান, এখনই যদি সব বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হয়, তবুও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক হতে আরও কয়েক মাস সময় লাগবে। এর ফলে উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি ক্রমাগত বাড়তে থাকবে। মহাসচিবের মতে, এমনকি তুলনামূলক ভালো পরিস্থিতিতেও বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩.১ শতাংশে নেমে আসতে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতি ৪.৪ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে।
পরিস্থিতি আরও দীর্ঘায়িত হলে এর প্রভাব হবে ভয়াবহ। গুতেরেস সতর্ক করেন যে, সংঘাত ও অবরোধ মধ্যবছর পর্যন্ত চললে নতুন করে ৩ কোটি ২০ লাখ মানুষ দারিদ্র্যে পড়বে এবং সাড়ে ৪ কোটি মানুষ চরম খাদ্যসংকটে পড়ার ঝুঁকিতে থাকবে। সারের সংকট ও ফসল উৎপাদন কমে যাওয়ায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর অগ্রগতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে, বছরের শেষ পর্যন্ত এই বিঘ্ন অব্যাহত থাকলে বিশ্ব অর্থনীতি সরাসরি মন্দার কবলে পড়বে। জাতিসংঘ মহাসচিব জোর দিয়ে বলেন, নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা অবিলম্বে পুনরুদ্ধার করতে হবে। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিশ্ব অর্থনীতিকে স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতে দিতে এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ অবিলম্বে সব জাহাজের জন্য খুলে দেওয়া জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন