ইসরাইলের কারাগারে এক বছর ধরে বিনা বিচারে বন্দি থেকে এবং অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রায় ৬০ কেজি ওজন হারিয়েছেন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক আলি সামোউদি। গত বছরের ২৯ এপ্রিল পশ্চিম তীরের জেনিন শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করার পর কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ছাড়াই আটকে রাখা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার মুক্তি পাওয়ার পর তার কঙ্কালসার ও অত্যন্ত দুর্বল শারীরিক অবস্থা দেখে স্থানীয়রা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
পেশাদার এই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক জিহাদকে অর্থ সহায়তার মৌখিক অভিযোগ তোলা হলেও ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ কোনো মামলা দায়ের করেনি। এর পরিবর্তে তাকে বিতর্কিত ‘অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ডিটেনশন’ বা প্রশাসনিক আটকাদেশের আওতায় বন্দি রাখা হয়। এই পদ্ধতির মাধ্যমে ইসরাইল কোনো বিচার ছাড়াই ফিলিস্তিনিদের দীর্ঘ সময় আটকে রাখে, যা আন্তর্জাতিক মহলে দীর্ঘকাল ধরে সমালোচিত হয়ে আসছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে সামোউদিকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় দেখা গেছে। সেখানে তিনি জানান, কারান্তরীণ অবস্থায় পর্যাপ্ত খাবার ও চিকিৎসার অভাবে তার ওজন আগের তুলনায় ৬০ কেজি কমে গেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন অভিযোগ করেছে যে, ইসরাইলি কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দিদের নিয়মিত খাবার ও চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত করে নানাবিধ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
ইসরাইলের কারাগারে এক বছর ধরে বিনা বিচারে বন্দি থেকে এবং অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রায় ৬০ কেজি ওজন হারিয়েছেন ফিলিস্তিনি সাংবাদিক আলি সামোউদি। গত বছরের ২৯ এপ্রিল পশ্চিম তীরের জেনিন শহর থেকে তাকে গ্রেপ্তার করার পর কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ছাড়াই আটকে রাখা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার মুক্তি পাওয়ার পর তার কঙ্কালসার ও অত্যন্ত দুর্বল শারীরিক অবস্থা দেখে স্থানীয়রা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
পেশাদার এই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক জিহাদকে অর্থ সহায়তার মৌখিক অভিযোগ তোলা হলেও ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ কোনো মামলা দায়ের করেনি। এর পরিবর্তে তাকে বিতর্কিত ‘অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ডিটেনশন’ বা প্রশাসনিক আটকাদেশের আওতায় বন্দি রাখা হয়। এই পদ্ধতির মাধ্যমে ইসরাইল কোনো বিচার ছাড়াই ফিলিস্তিনিদের দীর্ঘ সময় আটকে রাখে, যা আন্তর্জাতিক মহলে দীর্ঘকাল ধরে সমালোচিত হয়ে আসছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে সামোউদিকে গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় দেখা গেছে। সেখানে তিনি জানান, কারান্তরীণ অবস্থায় পর্যাপ্ত খাবার ও চিকিৎসার অভাবে তার ওজন আগের তুলনায় ৬০ কেজি কমে গেছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন অভিযোগ করেছে যে, ইসরাইলি কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দিদের নিয়মিত খাবার ও চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত করে নানাবিধ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন