ক্যারিবীয় দ্বীপদেশ অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার সাধারণ নির্বাচনে বিশাল জয় নিয়ে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন গ্যাস্টন ব্রাউন। বৃহস্পতিবার ঘোষিত প্রাথমিক ফলাফলে তাঁর নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি বড় ব্যবধানে জয়লাভ করে পুনরায় ক্ষমতায় টিকে গেছে। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, পার্লামেন্টের ১৭টি আসনের মধ্যে ১৫টিতেই জয় পেয়েছে ব্রাউনের লেবার পার্টি। অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ পার্টি মাত্র একটি আসনে জয়লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারে ব্রাউনের মূল গুরুত্ব ছিল দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কোভিড-পরবর্তী পর্যটন খাতের দ্রুত পুনরুদ্ধার। এই জয়কে জনগণের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করে ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন গ্যাস্টন ব্রাউন।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে একটি অন্যতম প্রধান ইস্যু ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ওয়াশিংটন দ্বীপদেশটির 'বিনিয়োগের বিনিময়ে নাগরিকত্ব' (Citizenship by Investment) কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার নাগরিকদের ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করে। ব্রাউন সরকার জানিয়েছে, তারা এই কর্মসূচিকে আরও স্বচ্ছ ও কঠোর করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার শুরু করেছে এবং ভিসা সমস্যা সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। দুই বছর আগে আন্তর্জাতিক সংকটের মুখে নতুন জনম্যান্ডেট পেতে আগাম নির্বাচনের ডাক দিয়েছিলেন ব্রাউন, যার ফলশ্রুতিতে এখন তাঁর দল আরও শক্তিশালী অবস্থানে ফিরে এল।

শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ মে ২০২৬
ক্যারিবীয় দ্বীপদেশ অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার সাধারণ নির্বাচনে বিশাল জয় নিয়ে চতুর্থবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন গ্যাস্টন ব্রাউন। বৃহস্পতিবার ঘোষিত প্রাথমিক ফলাফলে তাঁর নেতৃত্বাধীন লেবার পার্টি বড় ব্যবধানে জয়লাভ করে পুনরায় ক্ষমতায় টিকে গেছে। শুক্রবার এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, পার্লামেন্টের ১৭টি আসনের মধ্যে ১৫টিতেই জয় পেয়েছে ব্রাউনের লেবার পার্টি। অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দল ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ পার্টি মাত্র একটি আসনে জয়লাভ করতে সক্ষম হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারে ব্রাউনের মূল গুরুত্ব ছিল দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং কোভিড-পরবর্তী পর্যটন খাতের দ্রুত পুনরুদ্ধার। এই জয়কে জনগণের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করে ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন গ্যাস্টন ব্রাউন।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে একটি অন্যতম প্রধান ইস্যু ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নীতি। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ওয়াশিংটন দ্বীপদেশটির 'বিনিয়োগের বিনিময়ে নাগরিকত্ব' (Citizenship by Investment) কর্মসূচি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডার নাগরিকদের ভিসা প্রক্রিয়া স্থগিত করে। ব্রাউন সরকার জানিয়েছে, তারা এই কর্মসূচিকে আরও স্বচ্ছ ও কঠোর করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার শুরু করেছে এবং ভিসা সমস্যা সমাধানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। দুই বছর আগে আন্তর্জাতিক সংকটের মুখে নতুন জনম্যান্ডেট পেতে আগাম নির্বাচনের ডাক দিয়েছিলেন ব্রাউন, যার ফলশ্রুতিতে এখন তাঁর দল আরও শক্তিশালী অবস্থানে ফিরে এল।

আপনার মতামত লিখুন