বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সিরিজ খেলতে পাকিস্তান দল রোববার ঢাকায় পৌঁছালেও বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে দলটির টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমান আলী আগার একটি সাক্ষাৎকার। এআরওয়াই পডকাস্টে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে তিনি গত বছরের এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে ‘হ্যান্ডশেক’ না করার পেছনের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করেছেন।
সালমান জানান, টসের ঠিক আগে ম্যাচ রেফারি তাকে ডেকে জানিয়ে দেন যে, সেদিন কোনো হ্যান্ডশেক হবে না। অথচ এর আগে ফটোসেশনে দুই দল স্বাভাবিকভাবেই হাত মিলিয়েছিল। বিষয়টি তাকে বিস্মিত করলেও তিনি নির্দেশনা মেনে নেন। তবে বিস্ফোরক তথ্যটি আসে ম্যাচের পরের ঘটনা নিয়ে। সালমান দাবি করেন, হারের পরও সৌজন্য দেখাতে পাকিস্তান দল ভারতীয় ড্রেসিংরুমে গিয়েছিল, কিন্তু সেখানে তাদের জন্য দরজা বন্ধ ছিল এবং কেউ তাদের সাথে সৌজন্য বিনিময় করেনি।
২০২৫ সালে কাশ্মীরের পেহেলগাম হামলার পর থেকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) পাকিস্তানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সৌজন্য প্রদর্শন বা হ্যান্ডশেক এড়িয়ে চলার নীতি গ্রহণ করেছে। সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন দল এই অবস্থান কঠোরভাবে বজায় রেখেছে, যার প্রভাব সাম্প্রতিক নারী বিশ্বকাপ ও অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপেও দেখা গেছে।
ভবিষ্যতে ক্রিকেটে এমন আচরণের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সালমান আগা। তিনি বলেন, “তরুণ খেলোয়াড়রা সিনিয়রদের দেখে শেখে। যদি জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা এমন আচরণ করে, তবে এর প্রভাব নিচের স্তরের ক্রিকেটেও পড়বে এবং খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।” ক্রিকেটে সৌজন্যবোধ কমে যাওয়াকে তিনি সামগ্রিকভাবে এই ‘জেন্টলম্যানস গেম’-এর জন্য উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেছেন।

সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের সিরিজ খেলতে পাকিস্তান দল রোববার ঢাকায় পৌঁছালেও বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে দলটির টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সালমান আলী আগার একটি সাক্ষাৎকার। এআরওয়াই পডকাস্টে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে তিনি গত বছরের এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে ‘হ্যান্ডশেক’ না করার পেছনের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস করেছেন।
সালমান জানান, টসের ঠিক আগে ম্যাচ রেফারি তাকে ডেকে জানিয়ে দেন যে, সেদিন কোনো হ্যান্ডশেক হবে না। অথচ এর আগে ফটোসেশনে দুই দল স্বাভাবিকভাবেই হাত মিলিয়েছিল। বিষয়টি তাকে বিস্মিত করলেও তিনি নির্দেশনা মেনে নেন। তবে বিস্ফোরক তথ্যটি আসে ম্যাচের পরের ঘটনা নিয়ে। সালমান দাবি করেন, হারের পরও সৌজন্য দেখাতে পাকিস্তান দল ভারতীয় ড্রেসিংরুমে গিয়েছিল, কিন্তু সেখানে তাদের জন্য দরজা বন্ধ ছিল এবং কেউ তাদের সাথে সৌজন্য বিনিময় করেনি।
২০২৫ সালে কাশ্মীরের পেহেলগাম হামলার পর থেকে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) পাকিস্তানের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সৌজন্য প্রদর্শন বা হ্যান্ডশেক এড়িয়ে চলার নীতি গ্রহণ করেছে। সূর্যকুমার যাদবের নেতৃত্বাধীন দল এই অবস্থান কঠোরভাবে বজায় রেখেছে, যার প্রভাব সাম্প্রতিক নারী বিশ্বকাপ ও অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপেও দেখা গেছে।
ভবিষ্যতে ক্রিকেটে এমন আচরণের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সালমান আগা। তিনি বলেন, “তরুণ খেলোয়াড়রা সিনিয়রদের দেখে শেখে। যদি জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা এমন আচরণ করে, তবে এর প্রভাব নিচের স্তরের ক্রিকেটেও পড়বে এবং খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।” ক্রিকেটে সৌজন্যবোধ কমে যাওয়াকে তিনি সামগ্রিকভাবে এই ‘জেন্টলম্যানস গেম’-এর জন্য উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন