বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীর্ঘকালীন সমন্বয় ও সহায়তাকে ‘যুগান্তকারী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় দিনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের অধিবেশন শেষে তিনি এ কথা জানান। সশস্ত্র বাহিনীকে আরও জনমুখী করতে জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে এই সম্মেলনে।
অধিবেশনে সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জানান, সেনাবাহিনীতে শক্তিশালী জনবল সম্পৃক্ত করতে জেলা প্রশাসকদের কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচনে সেনাবাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের মধ্যকার সমন্বয়কে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সম্মেলনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দর্শন এবং সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনাগুলো জেলা প্রশাসকদের অবহিত করা হয়।
মাঠ পর্যায়ে দায়িত্বরত সেনা সদস্যদের নিরলস পরিশ্রমের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক সদস্য রাত জেগে ডিউটি ও প্রশিক্ষণে ব্যস্ত থাকেন, এমনকি দু-তিন দিন পর ঘুমানোর সুযোগ পান। তাদের এই ত্যাগ ও সেবামূলক কাজের বিষয়ে দেশের প্রতিটি জেলা প্রশাসক গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এ সময় উপস্থিত জেলা প্রশাসকরা মাঠ পর্যায়ে সেনাবাহিনীর সহায়তার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বাহিনী প্রধানসহ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধানসহ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং প্রতিরক্ষা সচিব উপস্থিত ছিলেন। প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, জেলা প্রশাসকদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী ও জনমুখী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দীর্ঘকালীন সমন্বয় ও সহায়তাকে ‘যুগান্তকারী’ হিসেবে অভিহিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের তৃতীয় দিনে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের অধিবেশন শেষে তিনি এ কথা জানান। সশস্ত্র বাহিনীকে আরও জনমুখী করতে জেলা প্রশাসকদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে এই সম্মেলনে।
অধিবেশনে সশস্ত্র বাহিনীর পেশাদারিত্ব ও দেশপ্রেমের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জানান, সেনাবাহিনীতে শক্তিশালী জনবল সম্পৃক্ত করতে জেলা প্রশাসকদের কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ করে নির্বাচনে সেনাবাহিনী ও বেসামরিক প্রশাসনের মধ্যকার সমন্বয়কে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সম্মেলনে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দর্শন এবং সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনাগুলো জেলা প্রশাসকদের অবহিত করা হয়।
মাঠ পর্যায়ে দায়িত্বরত সেনা সদস্যদের নিরলস পরিশ্রমের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেক সদস্য রাত জেগে ডিউটি ও প্রশিক্ষণে ব্যস্ত থাকেন, এমনকি দু-তিন দিন পর ঘুমানোর সুযোগ পান। তাদের এই ত্যাগ ও সেবামূলক কাজের বিষয়ে দেশের প্রতিটি জেলা প্রশাসক গভীর সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এ সময় উপস্থিত জেলা প্রশাসকরা মাঠ পর্যায়ে সেনাবাহিনীর সহায়তার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বাহিনী প্রধানসহ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী প্রধানসহ সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং প্রতিরক্ষা সচিব উপস্থিত ছিলেন। প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা আশা প্রকাশ করেন, জেলা প্রশাসকদের এই স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও প্রতিশ্রুতির মাধ্যমে ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী ও জনমুখী সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন