নোয়াখালীর সুবর্ণচরে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদার মালিকানাধীন একটি গোডাউন থেকে বিপুল পরিমাণ চোরাই গার্মেন্টস কাপড় উদ্ধার করেছে চট্টগ্রাম মহানগর ডিবি পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চরবাটা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাশারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত কাপড়ের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬০ লাখ টাকা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
গত ২৪ এপ্রিল চট্টগ্রাম বন্দর থেকে একটি কাভার্ডভ্যানে ১৬৩টি কাপড়ের বান্ডিল লোড করে গাজীপুর নেওয়ার পথে চালকের সহায়তায় সেগুলো আত্মসাৎ করা হয়। পরবর্তীতে অভিযুক্ত আবুল বাশার, ছাত্রদল নেতা সাদ্দাম হোসেন ও তাঁতী দল নেতা ইব্রাহীম খলিলের যোগসাজশে কাপড়গুলো দুই ভাগে ভাগ করা হয়। এর একটি অংশ হাতিয়ার আজিম নগর এলাকার একটি ঘরে এবং অন্য অংশটি সুবর্ণচরের ভূঞারহাট বাজারে যুবদল নেতা নুরুল হুদার গোডাউনে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
গত ২৭ এপ্রিল চট্টগ্রামের হালিশহর থানায় দায়ের করা মামলার সূত্র ধরে ডিবি পুলিশ সোমবার নোয়াখালীর হাতিয়া ও সুবর্ণচরে অভিযান চালায়। অভিযানে দুই স্থান থেকে মোট ১৬৩টি বান্ডিল কাপড় উদ্ধারসহ বাশারকে গ্রেফতার করা হয়। তবে এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ছাত্রদল, তাঁতী দল ও যুবদল নেতারা।
সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদা দাবি করেছেন, তিনি কেবল ঘরটি ভাড়া দিয়েছিলেন এবং ভেতরে কী ছিল সে সম্পর্কে তিনি অবগত নন। এদিকে ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত বাশারকে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে এবং এই চক্রের সাথে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদার মালিকানাধীন একটি গোডাউন থেকে বিপুল পরিমাণ চোরাই গার্মেন্টস কাপড় উদ্ধার করেছে চট্টগ্রাম মহানগর ডিবি পুলিশ। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চরবাটা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল বাশারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত কাপড়ের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬০ লাখ টাকা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
গত ২৪ এপ্রিল চট্টগ্রাম বন্দর থেকে একটি কাভার্ডভ্যানে ১৬৩টি কাপড়ের বান্ডিল লোড করে গাজীপুর নেওয়ার পথে চালকের সহায়তায় সেগুলো আত্মসাৎ করা হয়। পরবর্তীতে অভিযুক্ত আবুল বাশার, ছাত্রদল নেতা সাদ্দাম হোসেন ও তাঁতী দল নেতা ইব্রাহীম খলিলের যোগসাজশে কাপড়গুলো দুই ভাগে ভাগ করা হয়। এর একটি অংশ হাতিয়ার আজিম নগর এলাকার একটি ঘরে এবং অন্য অংশটি সুবর্ণচরের ভূঞারহাট বাজারে যুবদল নেতা নুরুল হুদার গোডাউনে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল।
গত ২৭ এপ্রিল চট্টগ্রামের হালিশহর থানায় দায়ের করা মামলার সূত্র ধরে ডিবি পুলিশ সোমবার নোয়াখালীর হাতিয়া ও সুবর্ণচরে অভিযান চালায়। অভিযানে দুই স্থান থেকে মোট ১৬৩টি বান্ডিল কাপড় উদ্ধারসহ বাশারকে গ্রেফতার করা হয়। তবে এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ছাত্রদল, তাঁতী দল ও যুবদল নেতারা।
সুবর্ণচর উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব নুরুল হুদা দাবি করেছেন, তিনি কেবল ঘরটি ভাড়া দিয়েছিলেন এবং ভেতরে কী ছিল সে সম্পর্কে তিনি অবগত নন। এদিকে ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃত বাশারকে আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে এবং এই চক্রের সাথে জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন