পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তিতে পরিবেশ, কৃষি ও জলবায়ু সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ ব্রেন্ডান লিঞ্চের নেতৃত্বাধীন এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এই তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলটি এসব বিষয় সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করছে। মূলত বাংলাদেশের পরিবেশ বিষয়ক আইনগুলোর যথাযথ প্রয়োগ এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
চুক্তির শর্তাবলি প্রসঙ্গে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, পরিবেশ ও জলবায়ু মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোতে কোনো অসামঞ্জস্য নেই। যুক্তরাষ্ট্র যেমন পরিবেশ আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন চায়, সরকারও তেমনি পরিবেশ সুরক্ষায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে আগ্রহী।
তিনি আরও পরামর্শ দেন যে, পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির কোনো ইস্যুতে যদি কোনো মন্ত্রণালয়ের প্রশ্ন থাকে, তবে তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া উচিত। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী বলেও তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তিতে পরিবেশ, কৃষি ও জলবায়ু সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। মঙ্গলবার সচিবালয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ ব্রেন্ডান লিঞ্চের নেতৃত্বাধীন এক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এই তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলটি এসব বিষয় সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করছে। মূলত বাংলাদেশের পরিবেশ বিষয়ক আইনগুলোর যথাযথ প্রয়োগ এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক সম্প্রসারণের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
চুক্তির শর্তাবলি প্রসঙ্গে মন্ত্রী উল্লেখ করেন, পরিবেশ ও জলবায়ু মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট ধারাগুলোতে কোনো অসামঞ্জস্য নেই। যুক্তরাষ্ট্র যেমন পরিবেশ আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন চায়, সরকারও তেমনি পরিবেশ সুরক্ষায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে আগ্রহী।
তিনি আরও পরামর্শ দেন যে, পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির কোনো ইস্যুতে যদি কোনো মন্ত্রণালয়ের প্রশ্ন থাকে, তবে তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া উচিত। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী বলেও তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানান।

আপনার মতামত লিখুন