তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না; বরং একটি সুষ্ঠু, স্বাধীন ও শক্তিশালী কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসতে চায়। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্যাবল টিভি, ব্রডকাস্টিং, অ্যান্ড কমিউনিকেশন এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, আধুনিক বিশ্বে কোনো রাষ্ট্রের পক্ষে তথ্যপ্রবাহ বা জবাবদিহিতার বাইরে থাকা সম্ভব নয়।
মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে একটি স্বাধীন ও সর্বসম্মত ‘গণমাধ্যম কমিশন’ গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেটের কারণে সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে রাষ্ট্র চাইলেই সবকিছু নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে না। সরকার এই খাতে কোনো নিজস্ব অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন বা কর্তৃত্ব করতে চায় না, বরং একজন সহায়কের ভূমিকায় থেকে স্বাধীন কমিশনের মাধ্যমে সব পরিচালনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
গণমাধ্যম শিল্পের উন্নয়নে তিনটি ধাপে কাজ করার পরিকল্পনা তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী জানান, যৌথ স্টাডি, ডিজিটাল ডাটা কালেকশন এবং সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে একটি নতুন রোডম্যাপ বা নীতিমালা তৈরি করা হবে। বর্তমানে সংবাদপত্রের সার্কুলেশন বা টেলিভিশনের দর্শক সংখ্যার সঠিক পরিসংখ্যান না থাকায় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। নতুন এই নীতিমালার মাধ্যমে বিজ্ঞাপনের হার নির্ধারণ ও রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ডিজিটাল বিশ্বের ঝুঁকি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির উৎকর্ষে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বর্তমানে হুমকির মুখে পড়েছে। বৈশ্বিক পর্যায়ে যদি ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের জন্য কোনো ঐক্যবদ্ধ ফোরাম বা সমঝোতা তৈরি না হয়, তবে পৃথিবী বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়বে। এই নতুন পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি সংশ্লিষ্টদের জ্ঞানভিত্তিক বিনিয়োগের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে ক্যাবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) ও অ্যাটকো-সহ ব্রডকাস্ট ইন্ডাস্ট্রির ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, বর্তমান সরকার গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায় না; বরং একটি সুষ্ঠু, স্বাধীন ও শক্তিশালী কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসতে চায়। বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্যাবল টিভি, ব্রডকাস্টিং, অ্যান্ড কমিউনিকেশন এক্সপো ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, আধুনিক বিশ্বে কোনো রাষ্ট্রের পক্ষে তথ্যপ্রবাহ বা জবাবদিহিতার বাইরে থাকা সম্ভব নয়।
মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে একটি স্বাধীন ও সর্বসম্মত ‘গণমাধ্যম কমিশন’ গঠনের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি জানান, গণতান্ত্রিক ম্যান্ডেটের কারণে সরকার জনগণের কাছে দায়বদ্ধ এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের শক্তিশালী অবস্থানের কারণে রাষ্ট্র চাইলেই সবকিছু নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে না। সরকার এই খাতে কোনো নিজস্ব অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়ন বা কর্তৃত্ব করতে চায় না, বরং একজন সহায়কের ভূমিকায় থেকে স্বাধীন কমিশনের মাধ্যমে সব পরিচালনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।
গণমাধ্যম শিল্পের উন্নয়নে তিনটি ধাপে কাজ করার পরিকল্পনা তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী জানান, যৌথ স্টাডি, ডিজিটাল ডাটা কালেকশন এবং সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে একটি নতুন রোডম্যাপ বা নীতিমালা তৈরি করা হবে। বর্তমানে সংবাদপত্রের সার্কুলেশন বা টেলিভিশনের দর্শক সংখ্যার সঠিক পরিসংখ্যান না থাকায় সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। নতুন এই নীতিমালার মাধ্যমে বিজ্ঞাপনের হার নির্ধারণ ও রাজস্ব আদায়ে স্বচ্ছতা আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ডিজিটাল বিশ্বের ঝুঁকি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তির উৎকর্ষে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বর্তমানে হুমকির মুখে পড়েছে। বৈশ্বিক পর্যায়ে যদি ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের জন্য কোনো ঐক্যবদ্ধ ফোরাম বা সমঝোতা তৈরি না হয়, তবে পৃথিবী বড় ধরনের ঝুঁকিতে পড়বে। এই নতুন পরিস্থিতি মোকাবিলায় তিনি সংশ্লিষ্টদের জ্ঞানভিত্তিক বিনিয়োগের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে ক্যাবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব) ও অ্যাটকো-সহ ব্রডকাস্ট ইন্ডাস্ট্রির ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন