সন্তানের জন্মের পর আল্লাহর শুকরিয়া ও কল্যাণের উদ্দেশ্যে পশু জবাই করা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল। বর্তমানে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে যে, পশু জবাইয়ের পরিবর্তে সমপরিমাণ টাকা দরিদ্রদের বা কোনো প্রতিষ্ঠানে দান করলে আকিকা আদায় হবে কি না। ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে আকিকা একটি মুস্তাহাব বা ফজিলতপূর্ণ ইবাদত, যা আদায়ের জন্য সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে।
আলেমদের মতে, আকিকার মূল লক্ষ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু জবাই করে রক্ত প্রবাহিত করা। তাই পশু কুরবানি না করে সেই টাকা দান করে দিলে তা সাধারণ সদকা হিসেবে গণ্য হবে এবং দানের সওয়াব পাওয়া যাবে, কিন্তু আকিকার সুনির্দিষ্ট সওয়াব বা ফজিলত অর্জিত হবে না। ইবাদতের ধরণ মানুষের ইচ্ছামতো পরিবর্তন করার সুযোগ নেই দেখে শরিয়ত নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণই জরুরি।
সন্তান জন্মের সপ্তম দিনে আকিকা করা উত্তম বলে হাদিসে নির্দেশনা রয়েছে। কোনো কারণে সপ্তম দিনে সম্ভব না হলে ১৪তম বা ২১তম দিনেও করা যেতে পারে। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর দৌহিত্র হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর আকিকা সপ্তম দিনে সম্পন্ন করেছিলেন।
সামর্থ্য থাকলে সন্তানের কল্যাণের জন্য সুন্নত অনুযায়ী পশু জবাইয়ের মাধ্যমেই আকিকা আদায় করা উচিত। দান-সদকা একটি মহৎ কাজ হলেও তা আকিকার বিকল্প হতে পারে না। তাই বিশেষ এই সুন্নতটি পালন করার পাশাপাশি অতিরিক্ত নেক আমল হিসেবে পৃথকভাবে দান-সদকা করা যেতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
সন্তানের জন্মের পর আল্লাহর শুকরিয়া ও কল্যাণের উদ্দেশ্যে পশু জবাই করা ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত আমল। বর্তমানে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে যে, পশু জবাইয়ের পরিবর্তে সমপরিমাণ টাকা দরিদ্রদের বা কোনো প্রতিষ্ঠানে দান করলে আকিকা আদায় হবে কি না। ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে আকিকা একটি মুস্তাহাব বা ফজিলতপূর্ণ ইবাদত, যা আদায়ের জন্য সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি রয়েছে।
আলেমদের মতে, আকিকার মূল লক্ষ্য হলো আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য পশু জবাই করে রক্ত প্রবাহিত করা। তাই পশু কুরবানি না করে সেই টাকা দান করে দিলে তা সাধারণ সদকা হিসেবে গণ্য হবে এবং দানের সওয়াব পাওয়া যাবে, কিন্তু আকিকার সুনির্দিষ্ট সওয়াব বা ফজিলত অর্জিত হবে না। ইবাদতের ধরণ মানুষের ইচ্ছামতো পরিবর্তন করার সুযোগ নেই দেখে শরিয়ত নির্ধারিত পদ্ধতি অনুসরণই জরুরি।
সন্তান জন্মের সপ্তম দিনে আকিকা করা উত্তম বলে হাদিসে নির্দেশনা রয়েছে। কোনো কারণে সপ্তম দিনে সম্ভব না হলে ১৪তম বা ২১তম দিনেও করা যেতে পারে। রাসুলুল্লাহ (সা.) তাঁর দৌহিত্র হাসান ও হুসাইন (রা.)-এর আকিকা সপ্তম দিনে সম্পন্ন করেছিলেন।
সামর্থ্য থাকলে সন্তানের কল্যাণের জন্য সুন্নত অনুযায়ী পশু জবাইয়ের মাধ্যমেই আকিকা আদায় করা উচিত। দান-সদকা একটি মহৎ কাজ হলেও তা আকিকার বিকল্প হতে পারে না। তাই বিশেষ এই সুন্নতটি পালন করার পাশাপাশি অতিরিক্ত নেক আমল হিসেবে পৃথকভাবে দান-সদকা করা যেতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন