জামালপুরে এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে দুই লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো—ইসলামপুর উপজেলার শিলদহ গ্রামের মো. শিপন (১৯), মো. ইব্রাহিম (২৫) এবং মো. ইউসুফ আলী (২০)। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ এপ্রিল রাতে শিলদহ গ্রামে ওই স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ৫ মে ইসলামপুর থানায় মামলা দায়েরের পর ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এই চূড়ান্ত রায় প্রদান করেন। অপরাধে সম্পৃক্ততা প্রমাণিত না হওয়ায় সাদিক নামে একজনকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
একই দিনে পৃথক দুটি মামলায় আরও দুই আসামিকে দণ্ড দিয়েছেন আদালত। জামালপুর সদরের বাঁশচড়া এলাকায় এক কিশোরীকে অপহরণের দায়ে মাহবুবুল আলম রাব্বি নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ভিটাকান্দি গ্রামে এক কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় হৃদয় মিয়া নামে এক তরুণকে ১০ বছরের আটকাদেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালতের পিপি ফজলুল হক রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আসামিদের উপস্থিতিতেই এই রায় ঘোষণা করা হয়েছে। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ন্যায়বিচার পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা। এই রায় সমাজে অপরাধ দমনে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬
জামালপুরে এক স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে দুই লাখ টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলো—ইসলামপুর উপজেলার শিলদহ গ্রামের মো. শিপন (১৯), মো. ইব্রাহিম (২৫) এবং মো. ইউসুফ আলী (২০)। মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ এপ্রিল রাতে শিলদহ গ্রামে ওই স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে ৫ মে ইসলামপুর থানায় মামলা দায়েরের পর ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আজ এই চূড়ান্ত রায় প্রদান করেন। অপরাধে সম্পৃক্ততা প্রমাণিত না হওয়ায় সাদিক নামে একজনকে মামলা থেকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
একই দিনে পৃথক দুটি মামলায় আরও দুই আসামিকে দণ্ড দিয়েছেন আদালত। জামালপুর সদরের বাঁশচড়া এলাকায় এক কিশোরীকে অপহরণের দায়ে মাহবুবুল আলম রাব্বি নামে একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ভিটাকান্দি গ্রামে এক কিশোরীকে ধর্ষণ মামলায় হৃদয় মিয়া নামে এক তরুণকে ১০ বছরের আটকাদেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালতের পিপি ফজলুল হক রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আসামিদের উপস্থিতিতেই এই রায় ঘোষণা করা হয়েছে। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ন্যায়বিচার পাওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয়রা। এই রায় সমাজে অপরাধ দমনে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

আপনার মতামত লিখুন