ঢাকা নিউজ

আমতলীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে শ্রমিক দল নেতার সংবাদ সম্মেলন



আমতলীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে শ্রমিক দল নেতার সংবাদ সম্মেলন
ছবি : সংগৃহীত

বরগুনার আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন ফকিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলায় শ্রমিক দল নেতাকে জেলহাজতে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে আমতলী উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন উপজেলা শ্রমিক দল সভাপতি মো. তারিকুল ইসলাম সোহাগ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, গত মঙ্গলবার পৌর শ্রমিক দল সভাপতি মিল্টন হাওলাদার ও সুমনকে অহেতুক ধরে নিয়ে চাঁদাবাজ সাজিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন জালাল উদ্দিন ফকির। পরবর্তীতে তাঁর এক সহযোগীকে বাদী করে একটি মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়। তারিকুল ইসলাম সোহাগ দাবি করেন, গত দেড় বছর ধরে জালাল ফকিরের ছেলে রাহাত ফকির থ্রি-হুইলার ও সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করে আসছেন। মালিক সমিতি গঠন হওয়ার পর তাদের চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এই মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।

শ্রমিক নেতারা আরও অভিযোগ করেন, রাহাত ফকির মাসিক দেড় হাজার টাকা এবং নতুন গাড়ি চলাচলের জন্য ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করতেন। তারা অনতিবিলম্বে মিল্টন ও সুমনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং তাঁদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে শতাধিক শ্রমিক নেতা ও সিএনজি চালক উপস্থিত ছিলেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন ফকির জানান, পুলিশ ও প্রশাসন মিল্টনকে হাতেনাতে টাকাসহ ধরেছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে, তাঁর ব্যক্তিগত কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। আমতলী থানার ওসি আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ জানিয়েছেন, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে এবং কাউকে অহেতুক হয়রানি করা হবে না। সংশ্লিষ্ট ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন

ঢাকা নিউজ

বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬


আমতলীতে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে শ্রমিক দল নেতার সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মে ২০২৬

featured Image

বরগুনার আমতলী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন ফকিরের বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলায় শ্রমিক দল নেতাকে জেলহাজতে পাঠানোর অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে আমতলী উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন উপজেলা শ্রমিক দল সভাপতি মো. তারিকুল ইসলাম সোহাগ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করা হয়, গত মঙ্গলবার পৌর শ্রমিক দল সভাপতি মিল্টন হাওলাদার ও সুমনকে অহেতুক ধরে নিয়ে চাঁদাবাজ সাজিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন জালাল উদ্দিন ফকির। পরবর্তীতে তাঁর এক সহযোগীকে বাদী করে একটি মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়। তারিকুল ইসলাম সোহাগ দাবি করেন, গত দেড় বছর ধরে জালাল ফকিরের ছেলে রাহাত ফকির থ্রি-হুইলার ও সিএনজি স্ট্যান্ড থেকে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করে আসছেন। মালিক সমিতি গঠন হওয়ার পর তাদের চাঁদাবাজি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এই মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে।

শ্রমিক নেতারা আরও অভিযোগ করেন, রাহাত ফকির মাসিক দেড় হাজার টাকা এবং নতুন গাড়ি চলাচলের জন্য ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করতেন। তারা অনতিবিলম্বে মিল্টন ও সুমনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং তাঁদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে শতাধিক শ্রমিক নেতা ও সিএনজি চালক উপস্থিত ছিলেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন ফকির জানান, পুলিশ ও প্রশাসন মিল্টনকে হাতেনাতে টাকাসহ ধরেছে এবং আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছে, তাঁর ব্যক্তিগত কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। আমতলী থানার ওসি আবু সাহাদাৎ মো. হাচনাইন পারভেজ জানিয়েছেন, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে এবং কাউকে অহেতুক হয়রানি করা হবে না। সংশ্লিষ্ট ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।


ঢাকা নিউজ

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: ফারুক মৃধা
সহ-সম্পাদক ও প্রকাশক: আনোয়ার শাহ

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্ব সংরক্ষিত ঢাকা নিউজ