লেবাননের বৈরুতে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি নারী দিপালী আক্তারের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ এসে পৌঁছায়। বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে মরদেহ গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং পরে তা শোকসন্তপ্ত পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মরদেহ গ্রহণ শেষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, যুদ্ধকবলিত মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। তিনি উল্লেখ করেন, দিপালীর পরিবারের পাশে সরকার সব সময় থাকবে এবং তাদের জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, এ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে আটজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দিপালীসহ ছয়জনের মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়েছে।
যুদ্ধাবস্থার কারণে মরদেহ দেশে আনতে বিলম্ব হওয়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলমান যুদ্ধের কারণে ফ্লাইট সচল থাকা এবং বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে বাড়তি সময় লাগছে। বিশেষ করে সৌদি আরবের সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন নিয়মকানুন মেনে দ্রুততম সময়ে মরদেহগুলো ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
নিহত দিপালী আক্তারের বাড়ি ফরিদপুর জেলায়; তিনি ২০১১ সালে জীবিকার তাগিদে লেবাননে গিয়েছিলেন। গত ৮ এপ্রিল বৈরুতের একটি ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরবর্তীতে রফিক হারিরি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ মে ২০২৬
লেবাননের বৈরুতে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি নারী দিপালী আক্তারের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ এসে পৌঁছায়। বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে মরদেহ গ্রহণ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ এবং পরে তা শোকসন্তপ্ত পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
মরদেহ গ্রহণ শেষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, যুদ্ধকবলিত মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার। তিনি উল্লেখ করেন, দিপালীর পরিবারের পাশে সরকার সব সময় থাকবে এবং তাদের জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে। প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, এ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে আটজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে দিপালীসহ ছয়জনের মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়েছে।
যুদ্ধাবস্থার কারণে মরদেহ দেশে আনতে বিলম্ব হওয়ার বিষয়টি ব্যাখ্যা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলমান যুদ্ধের কারণে ফ্লাইট সচল থাকা এবং বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে বাড়তি সময় লাগছে। বিশেষ করে সৌদি আরবের সহযোগিতা এবং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন নিয়মকানুন মেনে দ্রুততম সময়ে মরদেহগুলো ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
নিহত দিপালী আক্তারের বাড়ি ফরিদপুর জেলায়; তিনি ২০১১ সালে জীবিকার তাগিদে লেবাননে গিয়েছিলেন। গত ৮ এপ্রিল বৈরুতের একটি ভবনে ইসরায়েলি বিমান হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরবর্তীতে রফিক হারিরি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর অকাল মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন